বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘সিয়াচেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিরোধিতা করে না ভারত,তবে…’, যা বললেন সেনা প্রধান
সিয়াচেন হিমবাহ।

‘সিয়াচেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিরোধিতা করে না ভারত,তবে…’, যা বললেন সেনা প্রধান

  • সিয়াচেন হল বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র। ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কে এটি একটি পুরানো ক্ষত।

সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে বুধবার বলেন যে ভারত সিয়াচেন হিমবাহের সম্ভাব্য নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে ভারত বিরূপ মনোভাব পোষণ করে না। উল্লেখ্য, সিয়াচেন হল বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র। ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কে এটি একটি পুরানো ক্ষত। সেনা প্রধান নারাভানে বলেন, যদি প্রতিবেশী দেশ ১১০ কিলোমিটার বিস্তৃত প্রকৃত গ্রাউন্ড পজিশন লাইনকে মেনে নেয় তাহলে ভারত সেনা প্রত্যাহার করতেই পারত। উল্লেখ্য, এই প্রকৃত গ্রাউন্ড পজিশন লাইন ভারতীয় ও পাকিস্তানি অবস্থানকে আলাদা করে।

সেনা প্রধান বলেন, ‘আমরা হিমবাহের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করছি না। তবে এর পূর্ব শর্ত হল পাকিস্তানকে প্রকৃত গ্রাউন্ড পজিশন লাইনকে মেনে নিতে হবে। পাকিস্তানকে আমাদের ও তাদের অবস্থান মেনে নিতে হবে এবং যেকোনও ধরনের সেনা প্রত্যাবারের আগে এই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে দুই দেশকেই। পূর্ব লাদাখে যা ঘটছে, সিয়াচেনও অনেকটা সেই রকমই। প্রথমে ডিসেঙ্গেজমেন্ট তারপর ডি-ইনডাকশন এবং ডি-এস্কেলেশন বা নিরস্ত্রীকরণ করা যেতে পারে।’

তিনি বলেন, স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করতে চেয়ে পাকিস্তানের একতরফা প্রচেষ্টা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাল্টা পদক্ষেপের কারণেই সিয়াচেনের বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রসঙ্গত, ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ হিমবাহটি চিনা নিয়ন্ত্রণাধীন শাকসগাম উপত্যকা এবং পাকিস্তানের দখলে থাকা বাল্টিস্তানের মধ্যকার একটি এলাকা। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মত, এই হিমবাহ ভারতের অধীনে থাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী চিনাদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে না এবং লাদাখের নিরাপত্তার জন্য এই হিমবাহ ভারতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বন্ধ করুন