বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'শীঘ্রই ব্যাপক বাড়বে সংক্রমণ', আভাস করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মিলিয়ে দেওয়া কেমব্রিজের
দিনকয়েকের মধ্যেই ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মাথাচাড়া দিতে পারে। পূর্বাভাস কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
দিনকয়েকের মধ্যেই ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মাথাচাড়া দিতে পারে। পূর্বাভাস কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

'শীঘ্রই ব্যাপক বাড়বে সংক্রমণ', আভাস করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মিলিয়ে দেওয়া কেমব্রিজের

  • দিনকয়েকের মধ্যেই ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মাথাচাড়া দিতে পারে। পূর্বাভাস কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের।

দিনকয়েকের মধ্যেই ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মাথাচাড়া দিতে পারে। আছড়ে পড়তে পারে করোনাভাইরাসের জোরদার একটি ঢেউ। তবে তা বেশিদিন স্থায়ী হবে না। এমনটাই পূর্বাভাস দিল কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। যে বিশ্ববিদ্যালয় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কখন ভারতে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাবে এবং কখন সংক্রমণের গ্রাফ কমবে, তার সঠিক পূর্বাভাস দিয়েছিল।

সংবাদসংস্থা ব্লুমবার্গকে ইমেলে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জাজ বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক পল কাট্টুম্যান বলেছেন, ‘ভারত একটা সময় (করোনার) মারাত্মক সংক্রমণের সাক্ষী থাকতে পারে। তবে তুলনামূলকভাবে কম সময় থাকতে পারে সেই পর্যায়।’ সঙ্গে কাট্টুম্যান বলেছেন, ‘আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। সম্ভবত চলতি সপ্তাহের মধ্যেই সেটা হতে পারে।’ 

কাট্টুম্যান এবং তাঁর সহযোগী গবেষকরা জানিয়েছেন, ভারতে করোনার সংক্রমণের হার খাড়াভাবে বেড়েছে। গত ২৪ ডিসেম্বরের বিবৃতিতে জানানো হযেছে, ছ'টি রাজ্যে ‘উল্লেখজনক উদ্বেগজনক’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২৬ ডিসেম্বর সেই রাজ্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১। তবে সেই ‘মারাত্মক উত্থানের’ সময় দৈনিক সংক্রমণ কত হবে, তার পূর্বাভাস দেওযা কঠিন বলে জানিয়েছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জাজ বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক। যে বিশ্ববিদ্যালয় ভারতে করোনার সংক্রমণ নিয়ে একটি ‘ট্র্যাকার’ তৈরি করেছে।

এমনিতে বুধবার সকালে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৯,৯১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগেরদিন ছিল ৬,৩৫৮। অর্থাৎ একধাক্কায় ভারতে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। সেই পরিস্থিতিতে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িযেছে ৩৪,৮০৮,৮৮৬। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগেরদিন সেই সংখ্যাটা ছিল ২৯৩। মৃত্যু হয়েছে ৪৮,০৫,৯২ জনের (১.৩৮ শতাংশ)। সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭,০০২ (০.২২ শতাংশ)। সেরে উঠেছেন ৩৪,২৫১,২৯২ জন।

বন্ধ করুন