বাড়ি > ঘরে বাইরে > সীমান্ত বিতর্কের পর প্রথমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করল ভারত-নেপাল
চলছে বৈঠক
চলছে বৈঠক

সীমান্ত বিতর্কের পর প্রথমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করল ভারত-নেপাল

  • সেখানে দুই দেশের মধ্যে যে যে সব পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্প চলছিল, তার কাজের গতি বৃদ্ধি করার ওপর জোর দেওয়া হল

সীমান্ত সমস্যার পর এই প্রথম কুটনৈতিক পর্যায় বৈঠক হল ভারত-নেপালের মধ্যে। সেখানে দুই দেশের মধ্যে যে যে সব পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্প চলছিল, তার কাজের গতি বৃদ্ধি করার ওপর জোর দেওয়া হল। দুই দেশের মধ্যে ট্রেন চালানোর যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেই কাজের কতদূর এগোলো সেই নিয়েও এইদিন আমলাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।  

গত কয়েক মাসে কার্যত তলানিতে ঠেকেছে ভারত-নেপাল সম্পর্ক। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত এই বৈঠকের আগে শনিবার স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে ফোন করেছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে কিছুটা হলেও দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিটা কমে যায়। 

সোমবার হয় ইন্দো-নেপাল ওভারসাইট মেকানিজমের অষ্টম বৈঠক। ২০১৬ সালে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নজরদারি রাখার জন্য। মূলত নেপালে ভারতের টাকায় যে প্রকল্পগুলি চলছে, সেগুলি ঠিকঠাক চলছে সেটা দেখে এই কমিটি। এর আগে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে বৈঠক হয়েছিল। তারপর হওয়া যাবতীয় অর্থনৈতিক ও উন্নয়নভিত্তিক কাজের জরিপ করা হয় এদিন। 

কাঠমান্ডুতে  এই ভার্চুয়াল বৈঠকে কাজের গতি দ্রুত করার ওপর দুই দেশ জোর দিয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। কার্যত একই সুরে নেপাল বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের গতি বাড়াতে হবে ও উভয় দেশ ঠিক করেছে কাজে কোথাও বিঘ্ন ঘটলে সেই সমস্যাটি দ্রুত মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। 

এদিনের বৈঠকের পৌরহিত্য করেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন ও নেপালের বিদেশসচিব শংকর দাস বৈরাগি। নেপালের বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা ও বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কনট্র্যাক্টর ও কনসালটেন্টরা। 

সীমান্ত সমস্যার পর এই প্রথম কুটনৈতিক পর্যায় বৈঠক হল ভারত-নেপালের মধ্যে। সেখানে দুই দেশের মধ্যে যে যে সব পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রকল্প চলছিল, তার কাজের গতি বৃদ্ধি করার ওপর জোর দেওয়া হল। দুই দেশের মধ্যে ট্রেন চালানোর যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেই কাজের কতদূর এগোলো সেই নিয়েও এইদিন আমলাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।  

গত কয়েক মাসে কার্যত তলানিতে ঠেকেছে ভারত-নেপাল সম্পর্ক। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত এই বৈঠকের আগে শনিবার স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে ফোন করেছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে কিছুটা হলেও দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিটা কমে যায়। 

সোমবার হয় ইন্দো-নেপাল ওভারসাইট মেকানিজমের অষ্টম বৈঠক। ২০১৬ সালে এই প্রক্রিয়া শুরু হয় দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নজরদারি রাখার জন্য। মূলত নেপালে ভারতের টাকায় যে প্রকল্পগুলি চলছে, সেগুলি ঠিকঠাক চলছে সেটা দেখে এই কমিটি। এর আগে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে বৈঠক হয়েছিল। তারপর হওয়া যাবতীয় অর্থনৈতিক ও উন্নয়নভিত্তিক কাজের জরিপ করা হয় এদিন। 

কাঠমান্ডুতে  এই ভার্চুয়াল বৈঠকে কাজের গতি দ্রুত করার ওপর দুই দেশ জোর দিয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। কার্যত একই সুরে নেপাল বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের গতি বাড়াতে হবে ও উভয় দেশ ঠিক করেছে কাজে কোথাও বিঘ্ন ঘটলে সেই সমস্যাটি দ্রুত মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। 

এদিনের বৈঠকের পৌরহিত্য করেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন ও নেপালের বিদেশসচিব শংকর দাস বৈরাগি। নেপালের বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা ও বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কনট্র্যাক্টর ও কনসালটেন্টরা। 

বন্ধ করুন