বাড়ি > ঘরে বাইরে > ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের CAA প্রস্তাবের বিরোধিতা, চিঠি লোকসভার স্পিকারের
সিএএয়ের বিরুদ্ধে হিউস্টনে প্রতিবাদ (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)
সিএএয়ের বিরুদ্ধে হিউস্টনে প্রতিবাদ (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)

ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের CAA প্রস্তাবের বিরোধিতা, চিঠি লোকসভার স্পিকারের

  • কূটনৈতিকদের মতে, প্রস্তাবটি পাশ হলে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের চাপ যে বাড়বে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রস্তাবে আপত্তি জানাল নয়াদিল্লি।

নয়া আইন নিয়ে আগামী বুধবার ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে আলোচনা করার প্রয়াস চলছে। তা 'গুরুতর' হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের মুখপাত্র। পরদিন ভোটাভুটি হবে।

বিষয়টি নিয়ে বিদেশমন্ত্রকের তরফে সরকারিভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া না হলেও নয়া আইন ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুও।

প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট ডেভিড সাসোলিকে সোমবার চিঠি লিখেছেন লোকসভার স্পিকার। চিঠিতে বলা হয়েছে, 'সিএএ নিয়ে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের যৌথ প্রস্তাবের বিষয়টি আমি বুঝতে পারছি। আন্তঃপার্লামেন্ট ইউনিয়নের সদস্য হিসেবে আমাদের অবশ্যই অন্য আইনসভার সার্বভৌম প্রক্রিয়াকে সম্মান জানানো উচিত। একটি আইনসভা নিয়ে অপর একটি আইনসভার রায় দেওয়াটা ঠিক নয়। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে যে প্রথার অপব্যবহারও হতে পারে। এই আঙ্গিকে আপনাদের প্রস্তাবটি বিবেচনা করার আর্জি জানাচ্ছি। আমি নিশ্চিত, আমরা কেউ অস্বাস্থ্যকর নজির তৈরি করতে চাইব না।'

বিষয়টি নিয়ে আরও চাঁচাছোলো আক্রমণ এসেছে রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের তরফ থেকে। ইউরোয়পিয়ান পার্লামেন্টের নাম না করে তিনি বলেন, 'সংসদে তৈরি কয়েকটি আইন নিয়ে সম্প্রতি ভারতের বাইরে থেকে মন্তব্য করার চেষ্টা চলছে। সীমিত জ্ঞান ও অপরিমিত ধারণা নিয়ে কয়েকটি ইস্যু তুলে ধরার চেষ্টা চলছে যেগুলির জবাব আমাদের আইনপ্রণেতাদের দেওয়ার কথা। পরিণত গণতান্ত্রিক ও প্রজাতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমরা নিজেদের সমস্যা সমাধানে সক্ষম। এ বিষয়ে অন্যদের থেকে আমাদের কোনও উপদেশের প্রয়োজন নেই।'

তবে নয়াদিল্লির কাছে স্বস্তি বয়ে এনেছে ফ্রান্স-সহ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কয়েকটি সদস্য। ফ্রান্স জানিয়েছে, সিএএ 'ভারতের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়'। ভারতীয় কূটনৈতিকদের মতে, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাশ হলেও তা মেনে চলতে বাধ্য নয় ভারত। তবে প্রস্তাবটি পাশ হলে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের চাপ যে বাড়বে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

বন্ধ করুন