দেশে করোনার চলন
দেশে করোনার চলন

একদিনে আক্রান্ত ১৯৯০, ভারতে নয়া রোগীর সংখ্যায় রেকর্ড বৃদ্ধি শনিবারে

মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৬,৪৯৬, এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫,৮০৪।


INDIA : দ্বিতীয় লকডাউনের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র সাতদিন বাকি। ধীরে ধীরে বাধানিষেধ উঠিয়ে দিতে চাইছে কেন্দ্র। সেখানে চিন্তা বাড়িয়ে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১৯৯০। মারা গেলেন ৪৯জন। নয়া কেসের হারে এযাবত্ কালের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি দেশে।

শুধু মহারাষ্ট্রই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানও। অন্যদিকে বাংলায় বিশেষত কলকাতায় যেরকম ভাবে নয়া কেসের সংখ্যার বাড়ছে, সেই নিয়েও চিন্তায় সবাই। এর মধ্যে যেটা ভালো খবর হল যে এখনও পর্যন্ত ৫৮০৩জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ফলে করোনা হলেই মৃত্যু, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।

গ্রাফ ফ্ল্যাটেন হওয়ার লক্ষণ নেই।
গ্রাফ ফ্ল্যাটেন হওয়ার লক্ষণ নেই।

ভারতের করোনা ম্যাপটি দেখলে এটা স্পষ্ট দশটি রাজ্যে মোটের ওপর অধিকাংশ কেস অবস্থিত। যেটা অর্থনীতির জন্য চিন্তার, সেটি হল এই সব পকেটেই আছে দেশের সবচেয়ে অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধিশীল কিছু শহর। তাই তেসরা মে-র পর লকডাউন উঠলেও এই শহরগুলিতে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হবে, তার সম্ভাবনা খুবই কম।

দেশের করোনা ম্যাপ
দেশের করোনা ম্যাপ
কীভাবে বাড়ছে নয়া কেস
কীভাবে বাড়ছে নয়া কেস

কেবল মহারাষ্ট্রেই শনিবার ৮১১ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। এই সপ্তাহে নয়া কেসে শীর্ষে মহারাষ্ট্র, দ্বিতীয় স্থানে গুজরাত। কিন্তু শতাংশের হিসাবে নয়া কেস বৃদ্ধিতে গুজরাতের পরেই পশ্চিমবঙ্গ। তবে আগের চেয়ে টেস্টিং অনেকটা বেড়েছে। তাই নয়া কেসের ক্ষেত্রে সেই ফ্যাক্টরটাও মাথায় রাখতে হবে। সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর। আগামী দিনের রণনীতি এতে ঠিক হবে। যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে বড় শহরগুলিতে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ শুরু হবে, এই সম্ভাবনা ক্ষীণ।

তারমধ্যে গোদের ওপর বিষফোঁড়া, হু বলেছে একবার কোভিড হলে আবার হবে না, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি।


বন্ধ করুন