বাড়ি > ঘরে বাইরে > লাদাখ নিয়ে বৈঠক মোদীর, কোনও অবস্থাতেই পরিকাঠামো গড়ার কাজ থামাবে না ভারত
নরেন্দ্র মোদী  (REUTERS)
নরেন্দ্র মোদী  (REUTERS)

লাদাখ নিয়ে বৈঠক মোদীর, কোনও অবস্থাতেই পরিকাঠামো গড়ার কাজ থামাবে না ভারত

ডোভাল, বিপিন রাওয়াত ছাড়াও তিন বাহিনীর প্রধানরা ছিলেন এই বৈঠকে। 

লাদাখে প্রতিদিনই বাড়ছে উত্তেজনা। সেই নিয়ে এবার সবিস্তারে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, ডিফেন্স স্টাফের প্রধান বিপিন রাওয়াত ও তিন বাহিনীর প্রধানরা। কী করে বহিরাগত শক্তির বিরুদ্ধে ভারতের সেনার প্রস্তুতিকে আরও ভালো করা যায়, সেই নিয়েই বৈঠক ছিল, বলে পিটিআই সূত্রের খবর। 

সামরিক বাহিনীর লোকেরা মোদীকে পূর্ব লাদাখে বর্তমান পরিস্থিতিটি ঠিক কী, সেটা বুঝিয়ে বলেন। সরকারি ভাবে অবশ্য বলা হয়েছে যে সামরিক বাহিনীতে সংস্কার নিয়ে ছিল এই বৈঠক। মঙ্গলবার সকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পুরো ব্রিফ দেন চার জেনারেল। এই মুহূর্তে লাদাখের প্যাংগং লেক, গালওয়াল উপত্যকা, দেমচক ও দৌলত বেগ ওল্ডিতে একেবারে মুখোমুখি ভারতীয় ও চিন বাহিনী। গত কুড়ি দিন ধরেই চলছে এই পরিস্থিতি। দুপক্ষই সরে আসার লক্ষণ দেখাচ্ছে না। 

সূত্রের খবর পুরো বিষয়টি নজরজারি করছেন অজিত ডোভাল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তা জানিয়েছেন যে চিনের চাপ দেওয়ার নীতি খাটবে না। এলএসি-তে স্ট্যাটাস কো- অর্থাত্ আগের অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। বৈঠকে মোদীকে জানানো হয় যে ভারত-চিন সীমান্তে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কনট্রোলে কী কী পরিকাঠামোগত প্রজেক্ট করা হচ্ছে। 

সূত্রের খবর যে ভারত পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছএ তা আদৌ বন্ধ করবে না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আগেই বলে দিয়েছেন যে লাদাখ, সিকিম, উত্তরখণ্ড ও অরুণাচলে যা কাজ হচ্ছে, তা নিয়ে পুনর্বিবেচনার কোনও সুযোগ নেই। 

বিতর্কির অঞ্চলে পাঁচ হাজার সেনা নিয়ে এসেছে চিন। প্রত্যুত্তরে ভারতও সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছে। চিনকে বার্তা দিতে অন্য যেসব জায়গায় সীমান্ত আছে, সেখানেও সেনা বাড়ানো হয়েছে। প্যাংগং লেকের ফিংগার অঞ্চলে ভারত কেন রাস্তা বানাচ্ছে, সেই নিয়ে গোঁসা চিনের। একই সঙ্গে গালওয়ান উপত্যকায় একটি রাস্তা নিয়েও আপত্তি চিনের। 

প্যাংগংয়ের রাস্তা নিয়ে আপত্তির জেরে ৫ মে দুই বাহিনীর মধ্যে হাতাহাতি হয়। উত্তর সিকিমেও একই ঘটনা হয় ৯ মে। তারপর থেকেই পূর্ব লাদাখে সীমান্তে সেনা বাড়িয়েই চলছে চিন। সামঞ্জস্য রাখতে ঘুঁটি সাজাচ্ছেে ভারতও। 

২০১৭-এ ডোকলামে ৭৩ দিন ধরে ভারত ও চিনের মধ্যে ঠা্ন্ডা লড়াই চলে। শি জিনপিং নিজের দেশে সেনাকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলছেন। স্বভাবতই ভারতও আঁটোসাঁটো করছে তার রক্ষণ। 

 

বন্ধ করুন