বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > উইকিপিডিয়ার মানচিত্রে চিনের অংশ আকসাই চিন! আইনি নোটিশ পাঠাল দিল্লি
মার্কিন  তথ্য সংরক্ষণ সংস্থা উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে চিঠি পাঠাল ভারত।
মার্কিন  তথ্য সংরক্ষণ সংস্থা উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে চিঠি পাঠাল ভারত।

উইকিপিডিয়ার মানচিত্রে চিনের অংশ আকসাই চিন! আইনি নোটিশ পাঠাল দিল্লি

  • ২৭ নভেম্বর প্রকাশিত বিতর্কিত মানচিত্রের অংশটি বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে, অন্যথায় তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

আকসাই চিনকে চিনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মানচিত্রের সংশ্লিষ্ট অংশ বাদ দিতে মার্কিন সংস্থা উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাল ভারত। 

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন তথ্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত উইকিপিডিয়া মূলত স্বেচ্ছাসেবকদের অবদানের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির তুলনায় তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতার নিরিখে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। 

কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব অজয় সাহানি অবিলম্বে উইকিপিডিয়া থেকে গত ২৭ নভেম্বর প্রকাশিত বিতর্কিত মানচিত্রের অংশটি বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন, অন্যথায় ভারতের তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন। চিঠিতে তিনি কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, ‘এর জেরে ভারতের আঞ্চলিক সংহতি লঙ্ঘন করা হয়েছে।’

এই বিষয়ে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ ইমেল-এ প্রশ্ন পাঠিয়েও কোনও উত্তর পায়নি হিন্দুস্তান টাইমস।

ভারতের আঞ্চলিক সীমারেখা নিয়ে চলতি বছরে টুইটার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। টুইটার প্ল্যাটফর্মে ভারতের ভুল মানচিত্রে লাদাখের রাজধানী লেহকে চিনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে আইনি নোটিশও পাঠানো হয়েছে সংস্থাকে।  

বিষয়টি কেন্দ্রের নজরে আনেন এক টুইটার ইউজার, যিনি ওই পোস্টে ন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে ট্যাগ করেন। উইকিপিডিয়ার যে পাতায় ভুল ভারতীয় মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে ভারত-ভুটান সামরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভুটান সফরের উল্লেখও করা হয়েছে।

চিঠিতে ভুল মানচিত্র ছাঁটার জন্য অবশ্য নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করেননি কেন্দ্রীয় সচিব। তবে বিষটি যে নজরে রাখা হচ্ছে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে উইকিপিডিয়াকে।

ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ভারতের আবেদনে সাড়া না দিলে প্রধানত দুটি পন্থা অবলম্বন করতে পারে দিল্লি। প্রথমত, ফৌজদারি আইনে মামলা করলে দোষী ব্যক্তির কারাদণ্ড হতে পারে অথবা তথ্য প্রযুক্তি আইনে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটটি ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে। 

বন্ধ করুন