বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাত জাহাজে, বঙ্গোপসাগরে শক্তি প্রদর্শন ভারতের
মাঝসমুদ্রে রণতরী থেকে জাহাজ-ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে (ছবি সৌজন্য এএনআই)
মাঝসমুদ্রে রণতরী থেকে জাহাজ-ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে (ছবি সৌজন্য এএনআই)

ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত আঘাত জাহাজে, বঙ্গোপসাগরে শক্তি প্রদর্শন ভারতের

  • চিনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে নিজেদের শক্তি ও সামরিক প্রস্তুতির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

মাঝসমুদ্রে রণতরী থেকে ছোড়া হল জাহাজ-ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র। তা একেবারে নিখুঁতভাবে নির্দিষ্ট ভেসেলে গিয়ে আঘাত করল। শুক্রবার এমনই একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করল ভারতীয় নৌবাহিনী। যা চিনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে নিজেদের শক্তি ও সামরিক প্রস্তুতির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আইএনএস কোরা থেকে জাহাজ-ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র উরান ছোড়া হয়েছিল। যা বঙ্গোপসাগরে থাকা ভেসেলে আঘাত করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, ‘ভারতীয় নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী আইএনএস কোরা থেকে ছোড়া এএসএইচএমটি (জাহাজ-ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র) বঙ্গোপসাগরের লক্ষ্যে নিখুঁতভাবে আঘাত করেছে। নির্দিষ্ট জাহাজটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগুন ধরে যায়।’

সেই যৌথ অভিযানে সামিল ছিল ভারতীয় বায়ুসেনাও। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে উত্তর ভারতের একটি বায়ুঘাঁটি থেকে ব্রক্ষস ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে ওড়ে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান। বঙ্গোপসাগরের একই জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় সেটি। মাঝ-আকাশে তেল ভরার পর সেই অভিযান সফল হয়েছে। ওই ক্ষেপণাস্ত্র ২৯০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। 

গত সপ্তাহে আরব সাগরে আইএনএস প্রবাল থেকে উরান ক্ষেপণাস্ত্র একটি লক্ষ্যে আঘাত করার ছবি প্রকাশ করেছিল নৌবাহিনী। সেই সপ্তাহেই দেশের পশ্চিম উপকূলে নৌবাহিনীর প্রস্তুতি এবং সামরিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছিলেন নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।  তার আগে গত ১৮ অক্টোবর আইএনএস চেন্নাই থেকে ব্রক্ষস ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তা আরব সাগরের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত করেছিল।

বন্ধ করুন