বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'এটা বিয়ের ব্যান্ড?', কুচকাওয়াজের রিহার্সালে ‘মনিকা ও মাই ডার্লিং' নিয়ে বিতর্ক
ভিডিয়োর দৃশ্য। 
ভিডিয়োর দৃশ্য। 

'এটা বিয়ের ব্যান্ড?', কুচকাওয়াজের রিহার্সালে ‘মনিকা ও মাই ডার্লিং' নিয়ে বিতর্ক

  • কেন্দ্রের টুইটার হ্যান্ডেলে বলা হয়েছে, ‘কী দুর্দান্ত দৃশ্য। এই ভিডিয়োয় নিশ্চিতভাবে আপনার মধ্যে শিহরণ জাগাবে।’

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের রিহার্সাল চলছে। তারইমধ্যে ‘মনিকা ও মাই ডার্লিং'-এর সুরে ঝড় তুললেন ভারতীয় নৌবাহিনীর আধিকারিকরা। যে ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তবে সেই ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

দিনকয়েক ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নৌবাহিনীর সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। শনিবার সেই ভিডিয়ো কেন্দ্রীয় সরকারের ‘MyGovIndia’ টুইটার হ্যান্ডেল থেকেও শেয়ার করা হয়। সেই ভিডিয়োর সঙ্গে লেখা হয়, 'কী দুর্দান্ত দৃশ্য। এই ভিডিয়োয় নিশ্চিতভাবে আপনার মধ্যে শিহরণ জাগাবে। আমাদের সঙ্গে ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবস দেখতে তৈরি তো আপনি?'

ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ভারতীয় নৌবাহিনীর আধিকারিকরা উর্দি পরে আছেন। হাতে আছে রাইফেল। তাঁরা বলিউডের ‘মনিকা ও মাই ডার্লিং'-এর সুরে ঝড় তোলেন। তাল মেলাতেও দেখা যায়। অনেকেই সেই ভিডিয়োয় আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, উর্দি পরে এরকম ঘটনা শোভা পায় না। এক নেটিজেন বলেন, 'শিহরণ জাগাচ্ছে? এটা কি আর্মির ব্যান্ড নাকি বিয়ের ব্যান্ড?' অপর এক নেটিজেন আবার বলেন, 'সারে জাঁহা সে আচ্ছায় শিহরণ জাগে। এটায় নয়। সরি। ছিঁটেফোটা শিহরণ জাগেনি। আর কী বাজছিল? দুনিয়া মে লোগো কো ধোঁকা কভি হো যাতা হ্যা? আসলে প্রচুর ধোঁকা হয়েছে। হিন্দিতে গান কম পড়লে বাংলায় অনেক দেশাত্মবোধক গান আছে। সেগুলি বাজানো যেত।' অপর একজন বলেন, 'স্যার, আমরা কোনদিকে এগিয়ে যাচ্ছি? এটা একটি অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে টুইট করা হচ্ছে।'

অনেকেই সেই ভিডিয়ো দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। তাঁরা প্রশংসা করেছেন। যাঁরা সমালোচনা করেছেন বা আপত্তি তুলেছেন, তাঁদের উদ্দেশে পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। তেমনই একজন বলেন, 'আমার বাবা নৌবাহিনীতে ছিলেন। তিনি এবং তাঁর বন্ধুরা গর্বের সঙ্গে হোয়্যাটসঅ্যাপ স্টেটাসে পোস্ট করছেন বা একে অপরকে পাঠাচ্ছেন। এটাকে অসম্মান অপমানজনক বলার কে বাকিরা? তাঁরা শুধু একটু মজা করছেন। প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ একেবারে রীতি মেনেই হবে নিশ্চয়ই।'

বন্ধ করুন