বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ভারতীয়রা গিনিপিগ নাকি? Covaxin নিয়ে ফের সরকারকে তোপ কংগ্রেসের
দিল্লি এয়ারপোর্টে কোভ্যাক্সিন (HT_PRINT)
দিল্লি এয়ারপোর্টে কোভ্যাক্সিন (HT_PRINT)

ভারতীয়রা গিনিপিগ নাকি? Covaxin নিয়ে ফের সরকারকে তোপ কংগ্রেসের

  • কেন তৃতীয় দফার ট্রায়াল শেষ না হওয়ার আগেই এই টিকা দিচ্ছে সরকার, প্রশ্ন মণীশ তিওয়ারির। 

কেন তৃতীয় দফার ট্রায়ালের ডেটা আসার আগেই ছাড়পত্র দেওয়া হল কোভ্যাক্সিন করোনা টিকাকে, সেই নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু টিকাকরণ প্রক্রিয়া দেশজুড়ে। কিন্তু আপাতত মানুষ নিজে থেকে বাছতে পারবে না তারা কোন টিকাটি নিতে চায়। এই নিয়েই গর্জে উঠেছে কংগ্রেস। সাধারণ মানুষ কী গিনিপিগ, সেই প্রশ্ন করেছেন কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা মণীশ তিওয়ারি। 

ভারতে করোনা টিকাকরণের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে দুটি টিকা। একটি হল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড যেটিকে ভারতে প্রস্তুত ও বণ্টন করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অন্যটি হল দেশীয় ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআরের প্রস্তুত কোভ্যাক্সিন। কিন্তু  সমলোচকদের দাবি যে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় দফার ট্রায়ালের ডেটা এখনও আসেনি। তাই সেটা কতটা কার্যকরী তা জানা নয়। ছত্তিসগড়ের মতো রাজ্য বলেছিল যে তারা কোভ্যাক্সিন চায় না। কিন্তু সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে কেন্দ্র বলেছে যে প্রাথমিক ভাবে কোনও বাছাবাছি করার সুযোগ নেই। আপাতত তিন কোটি করোনা যোদ্ধাকে বিনামূল্যে টিকা দেবে সরকার। কিন্তু সরকারের এই অবস্থানের বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস। 

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণীশ তেওয়ারির বক্তব্য হল যে কোভ্যাক্সিনকে তো এমার্জেন্সি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ক্লিনিকাল ট্রায়াল মোডে। কিন্তু এখন সরকার বলছে বিকল্প বাছার উপায় নেই। যখন ট্রায়াল শেষ হয়নি, তখন এর কার্যকরীতা নিয়ে প্রশ্ন আছে বলে তাঁর দাবি। 

মণীশ তিওয়ারি বলেন যে কোভ্যাক্সিন সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়ার পরে তবেই সরকারের উচিত এটা মানুষের কাছে পোঁছে দেওয়া। সরকারের এমন ভাবে কাজ করা উচিত যাতে তাদের ওপর মানুষের আস্থা থাকে  বলে মনে করেন কংগ্রেস নেতা। টিকাকরণ প্রকল্পটি তৃতীয় দফার ট্রায়াল হিসেবে চলতে পারেনা, কারণ ভারতীয়রা গিনিপিগ নয় বলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তিনি। 

কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও কোভ্যাক্সিন কিন্তু পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ভারত বায়োটেকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এগারোটি শহরে মোট ৫৫ লাখ ডোজ চলে গিয়েছে। সরকারকে ১৫ লাখ ডোজ ফ্রিতে দেবে সংস্থা। বাকির দাম ২৯০ টাকা ট্যাক্স ছাড়া। 

বন্ধ করুন