বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Iran Fans after FIFA WC loss: বিশ্বকাপে আমেরিকার কাছে হারের পরই রাস্তায় নেমে উল্লাস ইরানিদের! ভাইরাল ভিডিয়ো

Iran Fans after FIFA WC loss: বিশ্বকাপে আমেরিকার কাছে হারের পরই রাস্তায় নেমে উল্লাস ইরানিদের! ভাইরাল ভিডিয়ো

বিশ্বকাপে ইরানের হারে উল্লাস ইরানিদের। (ছবি - টুইটার)

বিশ্বকাপে ইরানের হারে উল্লাস ইরানিদের। আমেরিকার কাছে গতকাল ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় ইরান। এরপরই ইরানের রাস্তায় নেমে উল্লাস দেখায় নাগরিকরা। 

গতকাল হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায় ইরান। এর জেরেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় ইরানিরা। দেশের হারের পরই রাস্তায় নেমে উল্লাস করতে দেখা গেল ইরানি নাগরিকদের। সেই ঘটনার ভিডিয়ো এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। উল্লেখ্য, গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসালমি কট্টরপন্থী সরকার বিরোধী আন্দোলন জারি রয়েছে ইরানে। এই আবহে আন্দোলকারীদের দাবি ছিল, ইরানের দলকে যেন বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, রাশিয়া যেটা ইউক্রেনের সঙ্গে করছে, ইরান সরকার সেটাই নিজেদের নাগরিকদের সঙ্গে করছে। এই কারণই রাশিয়াকে নিষিদ্ধ করা হলে ইরানকেও নিষিদ্ধ কার উচিত। তবে তাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়নি। এরপরই আন্দোলনকারীরা নিজেদের দলের হারের আশা করে এসেছে।

প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপের শুরুর দিকে ফুটবলাররা আন্দোলনকারীদের সমর্থনের বার্তা দিয়েছিলেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ইরানের অধিনায়ক সাংবাদিক সম্মেলনে সরাসরি বলেন যে তাঁর দল আন্দোসকারীদের সঙ্গে রয়েছে। এই আবহে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে প্রথম ম্যাচে কোনও ইরানি ফুটবলারই জাতীয় সঙ্গীত গায়নি। তবে এরপরই ইরান সরকার হুঁশিয়ারি দেয় ইরানি ফুটবলারদের। ফুটবলারদের পরিবারের সদস্যদের হেনস্থার হুঁশিয়ারি দেয় ইরান সরকার। এরপরই গ্রুপ পর্যায়ে ওয়েলসের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে ইরানের ফুটবলারদের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে দেখা যায়। এই আবহে ইরানের আন্দোলনকারীদের অনেকেই চাইছিলেন যাতে আমেরিকার বিরুদ্ধে তাঁদের জাতীয় দল হেরে যায়। কারণ তাঁদের কাছে এই ফুটবল দল ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের প্রতীক।

ইরানের সমাজকর্মী মশিহ আলিনেজাদ একটি টুইট করে লেখেন, ‘ইরান এমন একটি দেশ যেখানকার লোকেরা ফুটবল নিয়ে পাগল। আর এখন তাঁরা রাস্তায় নেমে দেশের হারে উল্লাস করছে সানন্দাজ শহরে। তারা চায় না খেলার মাধ্যমে সরকার পরিস্থিতি স্বাভাবিকে ফিরিয়ে আনুক।’ এদিকে শুধু সানন্দাজ নয়, কুর্দিশ অধ্যুষিত কাম্যারানেও ইরানের হারে সাধারণ নাগরিকরা রাস্তায় নেমে উল্লাসে মেতেছিলেন।

 

 

বন্ধ করুন