বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Jalebi Baba: জলেবি বাবার যৌন নির্যাতনের শিকার ১২০! চা পান করিয়ে পর পর মহিলাকে ধর্ষণ, মিলল ১৪ বছরের কারাবাস

Jalebi Baba: জলেবি বাবার যৌন নির্যাতনের শিকার ১২০! চা পান করিয়ে পর পর মহিলাকে ধর্ষণ, মিলল ১৪ বছরের কারাবাস

জলেবি বাবার বিরুদ্ধে ১২০ জন মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ।

কেউ তাঁকে চেনেন বিল্লুরাম নামে, কেউ অমরপুরী নামে। অভিযোগ, চায়ে মাদক দ্রব্য মিশিয়ে বহু মহিলাকে তিনি পান করিয়ে তাঁদের ধর্ষণ করেছেন। যে মহিলারা এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কাছে আসতেন সাহায্যের জন্য, তাঁদের সঙ্গেই ঘটেছে এমনটা।

শতাধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে জলেবি বাবাকে ১৪ বছরের কারাবাসের সাজা দিয়েছে হরিয়ানার ফতেহবাদের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট। বছর খানেক আগে, ধর্ষণ কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়ে খবরের শিরোনাম কেড়েছিলেন গুরমিত বাবা রামরহিম সিং। এরপর হরিয়ানার জেবি বাবা খবরে! অভিযোগ চা পান করিয়ে ১২০ জন মহিলাকে জলেবি বাবা ধর্ষণ করেন।

কেউ তাঁকে চেনেন বিল্লুরাম নামে, কেউ অমরপুরী নামে। অভিযোগ, চায়ে মাদক দ্রব্য মিশিয়ে বহু মহিলাকে তিনি পান করিয়ে তাঁদের ধর্ষণ করেছেন। যে মহিলারা এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কাছে আসতেন সাহায্যের জন্য, তাঁদের সঙ্গেই ঘটেছে এমনটা। গত ৫ জানুয়ারি জলেবি বাবাকে এই ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১০ জানুয়ারি সাজার ঘোষণা হয়। সঙ্গে ৩৫ হাজার টাকার জরিমানা ঘোষিত হয়। মহিলাদের ওপর নৃশংস অত্যাচার করা এই ধর্মগুরুকে মামলার সাজা শোনানোর সময় তিনি আদলতে কেঁদে ফেলেন। আর্জি জানান তাঁর সাজা মুকুবের। 

জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের সময় এই মহিলাদের ভিডিয়ো তুলে রাখতেন জলেবি বাবা। তারপর সেই ভিডিয়ো নিয়ে চলত ব্ল্যাকমেইল। বলা হত, প্রচুর পরিমাণ টাকা দিতে হবে, নয়তো ভিডিয়ো ফাঁস হবে। এছাড়াও ধর্ষণ নিয়ে মুখ খোলা বারণ ছিল। এই জলেবি বাবার বিরুদ্ধে পকসো আইনেও রুজু হয়েছে মামলা। এক নাবালিকাকে ২ বার ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে জলেবি বাবার বিরুদ্ধে। 

জানা গিয়েছে, শতাধিক ধর্ষণের শিকার মহিলার মধ্যে কয়েকজন এগিয়ে এসে জলেবি বাবার নামে অভিযোগ তোলেন ধর্ষণের। নির্যাতিতা ছয় জন মহিলা আদালতে পৌঁছে দেন সাক্ষ। তিনজনের সাক্ষের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। চলে বিচার পর্ব। শুাননিতে ১৪ বছরের কারাবাসের সাজা ঘোষিত হয়। 

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। জলেবি বাবার বিরুদ্ধে শতাধিক মহিলার ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে ভিডিয়োর খোঁজ মেলার পর। ঘটনা ২০১৮ সালের। সেই সময় অভিযোগ পেয়ে হরিয়ানা পুলিশ জলেবি বাবার আশ্রমে তল্লাশি চালায়। মেলে শতাধিক ধর্ষণের ভিডিয়ো। হরিয়ানার তোহানার বাবা বালকনাথ মন্দিরের মুখ্য সন্ন্যাসী তখন ছিলেন জলেবি বাবা। জলেবি বাবার মোবাইল থেকে ওই ভিডিয়োর দৃশ্যের ক্লিপ উদ্ধার হয়। ততদিনে জলেবি বাবা সেখানের নামি তান্ত্রিক হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। তাঁর কাছে যাঁরা সাহায্য চাইতে আসতেন, সেই মহিলাদেরই ধর্ষণ করতেন জলেবি বাবা। এমনই অভিযোগ ওঠে। 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

  

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন