বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Funeral procession: বিধায়কের পোষা কুকুরের শেষযাত্রায় মানুষের ঢল, ১৩দিনে হিন্দুমতে হবে শ্রাদ্ধ

Funeral procession: বিধায়কের পোষা কুকুরের শেষযাত্রায় মানুষের ঢল, ১৩দিনে হিন্দুমতে হবে শ্রাদ্ধ

মৃত সারমেয়র শেষযাত্রায় বিধায়ক। সংগৃহীত ছবি 

বিধায়ক জানিয়েছেন, ও আমাদের সন্তানের মতো ছিল। ২০০৪ সালে ওকে আমার স্বামী কিনে এনেছিল। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১ বছর। এতগুলো বছর আমাদের সঙ্গে ছিল।

আদিত্যনাথ ঝা

বিহারের পূর্ণিয়া। সেখানেই জনতা দল ইউনাইটেডের বিধায়ক বিমা ভারতীর পোষা কুকুরের মৃত্যু হয়েছে। আর সেই মৃত সারমেয়র শেষ যাত্রায় একেবারে অদ্ভূত আবেগের ছোঁয়া দেখল বিহার। চোখের জলে শেষ বিদায় পোষা কুকুরকে। মানুষের ঢল সেই শেষযাত্রায়।

পোষা কুকুরের নাম ছিল কৃষ্ণ। ১৯ বছর ওই বাড়িতে ছিল কৃষ্ণ। কিন্তু আচমকাই মৃত্যু হয় ওই কুকুরের। এরপরই হিন্দুমতে সেই সারমেয়র শেষযাত্রা বের করা হয়।

সোশ্য়াল মিডিয়ায় সেই শেষযাত্রার ছবি শেয়ার করেছেন জেডিইউ বিধায়ক। বিধায়ক জানিয়েছেন, ও আমাদের সন্তানের মতো ছিল। ২০০৪ সালে ওকে আমার স্বামী কিনে এনেছিল। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১ বছর। এতগুলো বছর আমাদের সঙ্গে ছিল।তিনি বলেন, কৃষ্ণকে বাঁচানোর জন্য সব চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ব্যর্থ হলাম। দীর্ঘ ১৯ বছর আমাদের সঙ্গে ছিল। পশু চিকিৎসকরাও ওকে বাঁচাতে পারলেন না।

আপাতত বিধায়কের পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা ১৩দিনে ওই সারমেয়র শ্রাদ্ধশান্তি করবেন। শ্রাদ্ধ উপলক্ষ্য়ে লোকজনও খাওয়ানো হবে। আসলে ওই সারমেয়কে একেবারে সন্তানের মতো স্নেহ করতেন তারা। তার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।

তাকে বাঁচানোর জন্য সবরকম চেষ্টা করেছিলেন বিধায়ক। কিন্তু তারপরেও বাঁচানো যায়নি। সারমেয়র প্রতি অপার প্রেম ওই পরিবারের। ঠিক যেমন পরিবারের কেউ প্রয়াত হলে পরিবারের লোকজন শ্রাদ্ধ শান্তি করেন, শোক পালন করেন সেভাবেই ওই পরিবার পোষা সারমেয়র মৃত্য়ুর পরে হিন্দুমতে সব কাজই করতে চান। আসলে পরিবারেরই একজন সদস্য ছিল কৃষ্ণ। তাকে ছাড়া শূন্য় গোটা পরিবার।

 

বন্ধ করুন