বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > তাজ সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কিত যাত্রীরা, পরীক্ষার পর গড়াল চাকা
এক্সপ্রেস ট্রেনে জল দেওয়া হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
এক্সপ্রেস ট্রেনে জল দেওয়া হচ্ছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

তাজ সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসে আগুন, আতঙ্কিত যাত্রীরা, পরীক্ষার পর গড়াল চাকা

  • ট্রেনটি ঝাঁসির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু এই আগুনের ঘটনায় ট্রেনের ভিতরে থাকা যাত্রীরা চিৎকার জুড়ে দেন।

শনিবার সকালে তাজ সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসে দেখা গেল আগুনের ফুলকি। গোটা ট্রেনটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। তাই এই খবর বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে ছুটোছুটি করতে থাকে। নয়াদিল্লি থেকে এই ট্রেনটি ছাড়তেই সেখানে সামান্য আগুন দেখা যায়। ট্রেনটি ঝাঁসির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু এই আগুনের ঘটনায় ট্রেনের ভিতরে থাকা যাত্রীরা চিৎকার জুড়ে দেন।

রেল সূত্রে থবর, এদিন এই সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে নয়াদিল্লি থেকে ছাড়ে। আর আগুন দেখা যায় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে। তখন ট্রেনটি আসওয়াতি স্টেশনে পৌঁছেছে। এই স্টেশন হরিয়ানা রাজ্যে। তখন ট্রেনে যথেষ্টই যাত্রী ছিল। অনেকে ট্রেনে আগুন লেগেছে বলে চাউর করে দেন। তাতে প্রবল আতঙ্ক তৈরি হয়।

শনিবার সকালে তাজ সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসে দেখা গেল আগুনের ফুলকি। গোটা ট্রেনটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। তাই এই খবর বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে ছুটোছুটি করতে থাকে। নয়াদিল্লি থেকে এই ট্রেনটি ছাড়তেই সেখানে সামান্য আগুন দেখা যায়। ট্রেনটি ঝাঁসির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু এই আগুনের ঘটনায় ট্রেনের ভিতরে থাকা যাত্রীরা চিৎকার জুড়ে দেন।

রেল সূত্রে থবর, এদিন এই সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ৫৬ মিনিটে নয়াদিল্লি থেকে ছাড়ে। আর আগুন দেখা যায় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে। তখন ট্রেনটি আসওয়াতি স্টেশনে পৌঁছেছে। এই স্টেশন হরিয়ানা রাজ্যে। তখন ট্রেনে যথেষ্টই যাত্রী ছিল। অনেকে ট্রেনে আগুন লেগেছে বলে চাউর করে দেন। তাতে প্রবল আতঙ্ক তৈরি হয়।|#+|

এই বিষয়ে রেলের এক আধিকারিক জানান, ‘‌ট্রেনে আগুনের ফুলকি দেখা গিয়েছিল। এটা সঠিক খবর। তাই ট্রেনটিকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। আর পরীক্ষা করা হয়।’‌ পরীক্ষা করার পর যাত্রীদের জানানো হয় কোনও সমস্যা নেই। অযথা আতঙ্কিত হবেন না। ট্রেন এখন স্বাভাবিক আছে। এরপর কিছুক্ষণ বাদে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

এই বিষয়ে রেলের উত্তরের জনসংযোগ আধিকারিক দীপক কুমার বলেন, ‘‌ট্রেনের ব্রেকের কাছে আগুন লেগেছিল। তবে খুব সামান্যই। তাই ট্রেনটিকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার পর ট্রেনটি সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ স্টেশন ছাড়ে। সমস্ত যাত্রী নিরাপদে রয়েছেন।’‌ রেলের জনসংযোগ আধিকারিক এই দাবি করলেও কেন এই আগুনের ফুলকি দেখা গেল?‌ তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

বন্ধ করুন