বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা, পুলিশকর্তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপি নেতার
ভোট গণনাকেন্দ্রে বিজেপি কর্মীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে ধস্তাধস্তির শিকার হলেন ঝাঁসির পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট বিবেক ত্রিপাঠি।
ভোট গণনাকেন্দ্রে বিজেপি কর্মীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে ধস্তাধস্তির শিকার হলেন ঝাঁসির পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট বিবেক ত্রিপাঠি।

গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা, পুলিশকর্তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপি নেতার

  • ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে বলে জোর করে ঢুকতে গেলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাধে।

ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি কর্মীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে ধস্তাধস্তির শিকার হলেন ঝাঁসির পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট বিবেক ত্রিপাঠি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলল ভিডিয়ো ক্লিপিং।

অভিযোগ, উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদ-ঝাঁসি কেন্দ্রে বিধানসভা কাউন্সিল সদস্য নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে বলে জোর করে ঢুকতে গেলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাধে। সেই সময় পুলিশ সুপারের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে রাজ্যের শাসকদলের কর্মীদের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিয়ো ক্লিপিংয়ে দেখা গিয়েছে, গণনাকেন্দ্রে জোর করে ঢোকার সময় বিজেপি কর্মীদের এসপি সিটি ত্রিপাঠি-সহ পুলিশকর্মীরা বাধা দিচ্ছেন। এর জেরে বচসা বাধলে এসপি-কে লক্ষ্য করে চেঁচাতে শোনা যায় স্থানীয় বিজেপি নেতা প্রদীপ সারাওগিকে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দুই বিজেপি বিধায়ক  অমিত শর্মা ও রাজীব সিং পরিচাও।

ত্রিপাঠি অবশ্য জানিয়েছেন, ঘটনায় তাঁর সঙ্গে ধস্তাধস্তি হলেও তিনি প্রহৃত হননি। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে তাঁর মার খাওয়া ও জখম হওয়ার দাবি মিথ্যা বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

শুক্রবার বেলা দেড়টা নাগাদ বিজেপির ঝাঁসি জেলার সভাপতি মুকেশ মিশ্র ও নেতা প্রদীপ সারাওগির নেতৃত্বে একদল বিজেপি কর্মী ভোট গণনাকেন্দ্রে চড়াও হন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ভোট গণনায় গরমিল রয়েছে। কিন্ত তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। 

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং পুনর্গণনার দাবি তুলে গণনাকেন্দ্রের বাইরে ধরনায় বসেন বিজেপি বিধায়ক রবি শর্মা ও জওহর রাজপুত-সহ দলের নেতা-কর্মীরা। 

অন্য দিকে, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ জানিয়ে শহরের বিকেডি কলেজের মাঠে ধরনায় বসেন সমাজবাদী পার্টির জেলা সভাপতি মহেশ কাশ্যপ। তিনি বলেন, নির্বাচনে হেরে এবার গুন্ডামি শুরুকরেছে বিজেপি। 

ঝাঁসির সিনিয়র পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার পি জানিয়েছেন, ভোট গণনাকেন্দ্রে কয়েক জন ঢোকার চেষ্টা করলে তাঁদের বাধা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমাজবাদী পার্টির তরফে টুইট করে অভিযোগ করা হয়েছে, এসপি বিবেক ত্রিপাঠিকে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা প্রদীপ সারাওগি। ঘটনার একটি ভিডিয়োও পোস্টের সঙ্গে ট্যাগ করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বন্ধ করুন