বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Joshimath: ভেঙে ফেলা হচ্ছে দুই বিলাসবহুল হোটেল, ধ্বংসের কিনারায় যোশীমঠ!

Joshimath: ভেঙে ফেলা হচ্ছে দুই বিলাসবহুল হোটেল, ধ্বংসের কিনারায় যোশীমঠ!

ভেঙে ফেলা হচ্ছে মালারি ইন হোটেল(ANI Photo/Ayush Sharma) (Ayush Sharma)

ন্যাশানাল থার্মল পাওয়ার স্টেশন যাতে তাদের প্রকল্প সরিয়ে নিয়ে যায় সেকারণে গোটা শহরে প্রচার শুরু হয়েছে। স্থানীয় এক রেস্তরাঁর মালিক অঙ্কিত উনিয়াল বলেন, এনটিপিসি যেভাবে সুরঙ্গ খুঁড়ছে তার জন্যই এই পরিস্থিতি। ওরা কাজ শুরুর পর থেকেই বাড়িতে ফাটল ধরা শুরু হল। এই পরিস্থিতির জন্য় তারাই ৯০ শতাংশ দায়ী।

অমিত বাঠলা, অজয় রামোলা

উত্তরাখণ্ডের যোশীমঠে একের পর এক বাড়িতে ফাটল। একাধিক হোটেলেও ফাটল দেখা দিয়েছে। পরিস্থতি একেবারে ভয়াবহ। এবার যোশীমঠের দুই হোটেল মালারি ইন ও মাউন্ট ভিউকে ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। শুক্রবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে বিশাল হোটেলে দুটিকে ভাঙতে এখনও সপ্তাহখানেক সময় লেগে যেতে পারে। এদিকে হোটেল দুটিতেও ফাটল দেখা দিয়েছে। এমনকী বিপজ্জনকভাবে এই দুটি হেলে পড়েছে। সেকারণে আর ঝুঁকি নিতে চায়নি প্রশাসন।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপন বিভাগ, রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা দফতর, সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের টিম মালারি ইন হোটেলটি ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বৃহস্পতিবার। মালিকের কাছ থেকে সম্মতি পাওয়ার পরেই হোটের ভাঙার কাজ শুরু হয়।

এদিকে হোটেলের মালিক ঠাকুর সিং রানা এর আগে ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব হয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত দফায় দফায় মিটিং করে বিষয়টি নিয়ে একটা মিমাংসা সূত্র বের করা হয়েছে।

এদিকে প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল মালারি ইন হোটেলটি ভেঙে ফেলা হবে। কিন্তু পরে বোঝা যায় যদি মালারি ইন হোটেলটি শুধু ভেঙে ফেলা হয় তবে আপনা থেকেই পাশের হোটেলটিও ভেঙে পড়বে।

এরপর শুক্রবার মালারি ইনের পাশাপাশি হোটেল মাউন্ট ভিউটিও ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করে দেয়। প্রথম দিকে হোটেল থেকে সমস্ত দরজা, জানালা খুলে ফেলা হয়। এরপর ধাপে ধাপে হোটেল ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। একাধিক অ্যাম্বুল্যান্সকে এলাকায় মজুত রাখা হয়েছে। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মুখ্য বিজ্ঞানী ডঃ ডিপি কানুনগো জানিয়েছেন, যন্ত্রের মাধ্যমে দুটি হোটেলের বিল্ডিংকে একই সঙ্গে ভেঙে ফেলা হবে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পরে এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুটি হোটেলই ঝুঁকে পড়েছে। সেক্ষেত্রে আগামীদিনে আরও সমস্যা তৈরি হতে পারে। একটি হোটেল আগে ভেঙে ফেলা হলে অপর হোটেলটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়তে পারে। সেকারণে এক সঙ্গে পাশাপাশি থাকা দুটি হোটেলকে ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।

এদিকে ন্যাশানাল থার্মল পাওয়ার স্টেশন যাতে তাদের প্রকল্প সরিয়ে নিয়ে যায় সেকারণে গোটা শহরে প্রচার শুরু হয়েছে। স্থানীয় এক রেস্তরাঁর মালিক অঙ্কিত উনিয়াল বলেন, এনটিপিসি যেভাবে সুরঙ্গ খুঁড়ছে তার জন্যই এই পরিস্থিতি। ওরা কাজ শুরুর পর থেকেই বাড়িতে ফাটল ধরা শুরু হল। এই পরিস্থিতির জন্য় তারাই ৯০ শতাংশ দায়ী।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন