সরকারের ক্ষমা চাওয়ার দাবি মিথ্যা, বললেন রামচন্দ্র গুহ।
সরকারের ক্ষমা চাওয়ার দাবি মিথ্যা, বললেন রামচন্দ্র গুহ।

পুলিশি হেনস্থার জন্য ক্ষমা চায়নি সরকার, রামচন্দ্রের দাবি ঘিরে ফের বিতর্ক

  • কর্নাটক সরকারের তরফে পুলিশি হেনস্থার জন্য প্রবীণ ইতিহাসবিদের কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সেই বিবৃতি আদৌ সত্য নয় বলে পালটা দাবি করেছেন রামচন্দ্র গুহ।

সিএএ ও এনআরসি-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জেরে পুলিশি হেনস্থার জন্য তাঁর কাছে ক্ষমা চায়নি কর্নাটক সরকার। এর জেরে সাম্প্রতিক সরকারি বিবৃতির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ।

গত ১৯ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও এনআরসি-এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানানোয় ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ক্যামেরার সামনেই তাঁকে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে অন্যান্য প্রতিবাদীদের সঙ্গে একটি বাসে পুরে দেওয়া হয়। পরে তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুক্তি পাওয়ার পরে রামচন্দ্র জানিয়েছিলেন, পুলিশ হেফাজতে অন্য বন্দিদের সঙ্গে তাঁর সঙ্গেও মানবিক আচরণ করেন পুলিশকর্মীরা। তাঁদের খাবার ও পানীয় জল দেওয়া হয় বলে তিনি জানান।




আরও পড়ুন: CAA-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে আটক ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ


কিছু দিন আগে কর্নাটক সরকারের তরফে ওই ঘটনায় প্রবীণ ইতিহাসবিদের কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সেই বিবৃতি আদৌ সত্য নয় বলে পালটা দাবি করেছেন রামচন্দ্র গুহ।

টুইটারে তিনি পোস্ট করেছেন, ‘বিধানসভায় কর্নাটক সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, গত ১৯ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুতে পুলিশের অভব্য আচরণের জন্য তিনি ফোনে আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এটা মিথ্যা কথা। আমি এমন কোনও ফোন অথবা ক্ষমা প্রার্থনা চাওয়া অনুরোধ শুনিনি।’

এর পরে আর একটি টুইটে রামচন্দ্র জানিয়েছেন, ‘এমন কোনও ক্ষমা প্রার্থনার অনুরোধ এলেও তা প্রত্যাখ্যান করতাম। ১৪৪ ধারা জারি করা অবৈধ ছিল এবং রাজ্য সরকারের হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার প্রতিবাদীর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি গর্বিত।’

রামচন্দ্রের এই মন্তব্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। তাঁর সমর্থকরা যখন একদিকে ইয়েদিউরাপ্পা সরকারের মুণ্ডপাতে ব্যস্ত, তখনই নিন্দুকরা ইতিহাসবিদের দাবিরও সত্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।



বন্ধ করুন