বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কেরালায় সরকার ফেলতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখবেন বিজয়ন
কেরালায় ইচ্ছে করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের।
কেরালায় ইচ্ছে করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের।

কেরালায় সরকার ফেলতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখবেন বিজয়ন

  • রাজ্য সরকারকে দুর্বল করতে ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের।

তাঁর সরকারকে দুর্বল করতে ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিনি চিঠি লিখবেন। শনিবার কান্নুরের জনসভায় এই অভিযোগ করলেন সোনা পাচারকাণ্ডে কোণঠাসা কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

বিজয়নের দাবি, ‘মনে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে দুর্বল করার উদ্দেশেই কাজ করছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি। আমরা ওদের তা করতে দেব না। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে ওদের আর নাক গলাতে দেব না।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পদটি সাংবিধানিক। তিনি কোনও দল নন, গোটা দেশের প্রধানমন্ত্রী। আশা করি তিনি সদর্থক উত্তরই দেবেন।’

এনডিএ সরকারের আমলে বিরোধী নেতাদের কী ভাবে হেনস্থা করছে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি, সেই তালিকাও দিয়েছেন বিজয়ন। তাঁর দেওয়া তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদাম্বরম, কর্নাটকের কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার, প্রয়াত আহমেদ প্যাটেল ও মধ্য প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ। কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যের কংগ্রেস নেতাদের প্রতি তাঁর প্রশ্ন, বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির পদক্ষেপ কি সমর্থনযোগ্য?

বিজয়নের অভিযোগ, নানান মামলায় জড়িত নেতারা বিজেপি-তে যোগ দিলেই তাঁদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি বাংলার প্রাক্তন তৃণমূল নেতা মুকুল রায়, প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা নারায়ণ রানা এবং অন্ধ্র প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডির উল্লেখ করেন। 

সোনা পাচার কাণ্ড নিয়ে বিজয়নের দাবি, ‘আমার উদ্যোগেই সোনা পাচার কাণ্ডের অনুসন্ধানে নামে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং আমরা সবাই তা স্বাগত জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখন পাচার নিয়ে তদন্ত হচ্ছে না, অন্য অনেক কিছু নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে।’

কেরালার কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে। তার জেরে কোভিড মৃত্যুর সংখ্যাও তুলনায় অনেক কমেছে। একই সঙ্গে রাজ্যে বিনামূল্যে কোভিড প্রতিষেধক বিতরণের আশ্বাস দেন বিজয়ন।

বন্ধ করুন