বাড়ি > ঘরে বাইরে > সোনা পাচারকাণ্ডে NIA-এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কেরালার মন্ত্রী
সোনা পাচারকাণ্ডে NIA-এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কেরালার মন্ত্রী (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)
সোনা পাচারকাণ্ডে NIA-এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কেরালার মন্ত্রী (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

সোনা পাচারকাণ্ডে NIA-এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কেরালার মন্ত্রী

  • সোনা পাচারকাণ্ডের অন্যতম মূল অভিযুক্ত স্বপ্না সুরেশের কল রেকর্ড থেকে জানা গিয়েছিল, তাঁকে একাধিকবার ফোন করেছিলেন কেরালার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী।

কেরালা সোনা পাচারকাণ্ডে সপ্তাহখানেক আগেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এবার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন কেরালার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী কে টি জালিল।

তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার এমনিতেই সরকারের উপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে। তারমধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ছ'টা নাগাদ ব্যক্তিগত গাড়ি করে কোচিতে এনআইএয়ের কার্যালয়ে পৌঁছান জালিল। সূত্রের খবর, বন্দর শহরে ঘাঁটি গেড়েছে ইডি এবং ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) একটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের দলও।

সোনা পাচারকাণ্ডের অন্যতম মূল অভিযুক্ত স্বপ্না সুরেশের কল রেকর্ড থেকে জানা গিয়েছিল, তাঁকে একাধিকবার ফোন করেছিলেন কেরালার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। তখন থেকেই জালিলের সমস্যা শুরু হয়েছিল। যদিও জালিল দাবি করেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দূতাবাসের তরফে রামদানের যে উপহার দেওয়া হচ্ছিল, সেই কারণ স্বপ্নাকে ফোন করেছিলেন তিনি। আর স্বপ্না দূতাবাসের কর্মী ছিলেন বলে দাবি করেন মন্ত্রী।

সেই সাফাই দিয়ে নিজের আরও বিপদ ডেকে আনেন জালিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশ মন্ত্রকের অনুমোদন ছাড়া তিনি কোনও অর্থ বা উপহার গ্রহণ করতে পারেন না তিনি। যা ‘ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট’-এর লঙ্ঘন বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

সোনা পাচারকাণ্ডের তদন্তের সময় শুল্ক বিভাগ জানতে পারে, গত ৪ মার্চ ৩১ টি ব্যাগে ৪,০০০ কিলোগ্রামের বেশি ওজনের ‘কনসাইনমেন্ট’ (প্যাকেট) এসেছিল। যা মল্লপুুরমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মন্ত্রী দাবি করেন, প্যাকেটে শুধুমাত্র ধর্মীয় গ্রন্থ ছিল। যা নিজের বিধানসভা এলাকায় বণ্টনের জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। যদিও বিরোধীর অভিযোগ, প্যাকেটে সোনাও ছিল এবং নিজের অবৈধ কাজ গোপন করতে বইয়ের আড়ালে সোনা নিয়ে আসা এসেছিলেন।

বন্ধ করুন