বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মাস পেরলেও সিসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
মাস পেরলেও সিসিইউতেই চিকিৎসাধীন খালেদা, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল: ছবি (‌সৌজন্য ফেসবুক)‌
মাস পেরলেও সিসিইউতেই চিকিৎসাধীন খালেদা, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল: ছবি (‌সৌজন্য ফেসবুক)‌

মাস পেরলেও সিসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা, শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

  • চিকিৎসক দলের সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। চিকিৎসকরা সাবধানতার সঙ্গে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এখনই এ বিষয়ে অনুমান করার কোনও সুযোগ নেই।’

মাস পেরলেও এখনও হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল র‌য়েছে। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর ফুসফুসে জল জমে গিয়েছিল। তা বার করতে পাইপ লাগানো হয়েছিল। সেগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গত কয়েকদিন আগেও যা বলেছি, এখনও তিনি সেই অবস্থাতেই আছেন। কিছুদিন ধরে ভাল আছেন তিনি। ফুসফুসের জল বের করতে যে পাইপ লাগানো হয়েছিল, সেই পাইপগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। আপাতত ভাল আছেন তিনি।’

তবে ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে সিসিইউ’র বাইরে রেখে চিকিৎসা করাটা এখনও নিরাপদ মনে করছেন না চিকিৎসকরা। তাই আরও কিছুদিন তাঁকে সিসিইউতে রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

খালেদা জিয়ার দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তথা চিকিৎসক দলের সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। চিকিৎসকরা সাবধানতার সঙ্গে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এখনই এ বিষয়ে অনুমান করার কোনও সুযোগ নেই।’

গত ২৭ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তাঁর। তড়িঘড়ি তাঁকে ঢাকার বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তারপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়, খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের তরফে বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও সরকার অনুমতি দেয়নি। ফলে, সেই প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে।

গত ১১ এপ্রিল করোনা ‘পজিটিভ’ রিপোর্ট আসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। ১৫ এপ্রিল তাঁর সিটি স্ক্যান করা হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, ২৭ এপ্রিল রাতে ঢাকার বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে।

২৮ এপ্রিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে ১০ সদস্যের চিকিৎসকদের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। ৩ মে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিলে, করোনারি কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয় খালেদা জিয়াকে।

৫ মে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে সরকারের কাছে আবেদন করেন তাঁর ভাই শামীম এস্কান্দার। তবে সেই আবেদন নাকচ করে দেয় বাংলাদেশ সরকার।

৬ মে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা জিয়া করোনা ‘নেগেটিভ’ হন। এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ফের ২৭ মে প্রাক্তন প্রাধান মন্ত্রীর জ্বর আসার কারণে হাসপাতালে ভরতি করতে হয়। তখন থেকেই হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

বন্ধ করুন