সূর্য থেকে যে ধ্বনি শোনা যায়, তা আসলে রেকর্ড করেছিল নাসা। ছবি সৌজন্যে নাসা।
সূর্য থেকে যে ধ্বনি শোনা যায়, তা আসলে রেকর্ড করেছিল নাসা। ছবি সৌজন্যে নাসা।

সূর্যের ‘ওম’ জপ! ভুয়ো ভিডিয়োর জেরে ট্রোলের নিশানায় কিরণ বেদী

হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরেফিরে একটি ভুয়ো পোস্ট অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ কিরণ বেদী না বুঝে তা শেয়ার করে টুইটারে নতুন হাসির খোরাক উত্পাদন করেছেন।

হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া ভুয়ো ভিডিয়ো টুইট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হলেন পুদুচেরির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তথা প্রাক্তন আইপিএস অফিসার কিরণ বেদী।

গত কয়েক বছর ধরে হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরেফিরে একটি ভুয়ো পোস্ট অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তা নিয়ে ঠাট্টা-মস্করা ছাড়া আর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কিন্তু এ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ কিরণ বেদী না বুঝে সেই পোস্টই শেয়ার করে টুইটারে নতুন হাসির খোরাক উত্পাদন করেছেন।

ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই না করে উলটে পোস্ট করার সময় টুইটারে তিনি আবার ক্যাপশন লিখেছেন, ‘নাসার রেকর্ড করা ভিডিয়োতে সূর্যকে ‘ওম’ জপ করতে শোনা গিয়েছে।’

প্রাক্তন দুঁদে আইপিএস অফিসারের এ হেন কাণ্ডে অবশ্য মজার খোরাক খুঁজে নিতে দেরি করেনি নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা। লেপটেন্যান্ট গভর্নরের টুইট নিয়ে তাই শুরু হয়েছে অগুনতি ট্রোল।

তথ্যান্বেষীদের জন্য অবশ্য বহু দিন আগেই সূর্যের শব্দ রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নাসা। গুগল বা ইউটিউবে সার্চ করলেই সন্ধান পাওয়া যাবে সেই ভিডিয়ো। টানা ৪০ দিন ধরে সেই সৌরধ্বনি রেকর্ড করেছিল হেলিওস্ফেরিক অবজারভেটরির মিচেলসন ডপলার ইমেজার এবং সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজটি করেন এ. কোসোভিশেভ।

ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই না করে উলটে পোস্ট করার সময় টুইটারে তিনি আবার ক্যাপশন লিখেছেন, ‘নাসার রেকর্ড করা ভিডিয়োতে সূর্যকে ‘ওম’ জপ করতে শোনা গিয়েছে।’

প্রাক্তন দুঁদে আইপিএস অফিসারের এ হেন কাণ্ডে অবশ্য মজার খোরাক খুঁজে নিতে দেরি করেনি নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা। লেপটেন্যান্ট গভর্নরের টুইট নিয়ে তাই শুরু হয়েছে অগুনতি ট্রোল।

তথ্যান্বেষীদের জন্য অবশ্য বহু দিন আগেই সূর্যের শব্দ রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নাসা। গুগল বা ইউটিউবে সার্চ করলেই সন্ধান পাওয়া যাবে সেই ভিডিয়ো। টানা ৪০ দিন ধরে সেই সৌরধ্বনি রেকর্ড করেছিল হেলিওস্ফেরিক অবজারভেটরির মিচেলসন ডপলার ইমেজার এবং সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজটি করেন এ. কোসোভিশেভ।

হোয়াটসঅ্যাপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য ধ্রুবসত্য মনে করার প্রবণতা ভারতীয়দের মধ্যে কিছু বেশি। একদিকে যেমন আনন্দ মহিন্দ্রা বা সচিন তেন্ডুলকরের মতো ব্যক্তিত্ব হোয়াটসঅ্যাপ থেকে নতুন অনুপ্রেরণামূলক তথ্য শেয়ার করেন, তখন বেশিরভাগ ভারতীয় হাতের কাছে অজানা তথ্য পেলেই সত্যাসত্য বিচার না করে সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে অজান্তে ভুয়ো তথ্য পোস্ট করে অজ্ঞতার পরিচয় দেন।

বন্ধ করুন