বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কেরলে কংগ্রেসের অন্দরে 'দ্বন্দ্ব' চরমে, বিরোধী দলনেতার চেয়ার নিয়ে দড়ি টানাটানি
কেরলে কংগ্রেসের অন্দরে দ্বন্দ্ব চরমে (প্রতীকী ছবি)
কেরলে কংগ্রেসের অন্দরে দ্বন্দ্ব চরমে (প্রতীকী ছবি)

কেরলে কংগ্রেসের অন্দরে 'দ্বন্দ্ব' চরমে, বিরোধী দলনেতার চেয়ার নিয়ে দড়ি টানাটানি

  • কংগ্রেসের অন্দরে এই দ্বন্দ্ব মেটানোটাই এখন দলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ

পঞ্জাব, রাজস্থানের পর এবার কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে সমস্য়া তৈরি হচ্ছে কেরলে। কংগ্রেসের অন্দরমহল সূত্রে খবর, বর্ষীয়ান রমেশ চেন্নিথালার কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার চেয়ার সরিয়ে নেওয়াকে ঘিরেই বিরোধের সূত্রপাত। তাঁর অনুগামীদের দাবি, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই আশ্বাস দিয়েছেন যে চেন্নিথালার মতো নেতৃত্বের পদে কোনও রদবদল হবে না। তবে চেন্নিথালা ঘনিষ্ঠ এক অভিজ্ঞ কংগ্রেস নেতৃত্ব জানিয়েছেন, হাই কমান্ড তাঁকে দিল্লি ডেকে পাঠাতে পারতেন। গোটা পরিস্থিতি তাঁর কাছ থেকে জানতে চাইতে পারতেন। তাঁকে সম্মানজনক প্রস্থানের পথ দেওয়া যেত। কিন্তু সেটাও করা হয়নি। 

প্রসঙ্গত বর্তমানে ভিডি সাথিসানকে নতুন বিরোধী দলনেতা করা হয়েছে। কে সুধাকরণকে পিসিসির প্রধান করা হয়েছে। তবে ইউডিএফের আহ্বায়কের পদটি আপাতত খালি রয়েছে। এদিকে এক বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা বলেন, কংগ্রেস সভাপতি অথবা রাহুল গান্ধি তাঁকে ডেকে জানতে চাইতে পারতেন কেন এই পদে নতুন মুখ আনা প্রয়োজন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে বা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমান চান্ডির সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই রদবদল করে দেওয়া হল। 

তবে কংগ্রেসের এক বর্ষীয়ান নেতা অবশ্য দাবি করেছেন,  রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের দাবি, পঞ্জাব ও রাজস্থানের পরিস্থিতির সঙ্গে কেরলে দলের পরিস্থিতি গুলিয়ে ফেলাটা ঠিক হবে না। 

 

 

বন্ধ করুন