বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Tripura Election: বাম–কংগ্রেস–টিপিপি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করল, ত্রিপুরায় আসন বণ্টন হতে চলেছে

Tripura Election: বাম–কংগ্রেস–টিপিপি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করল, ত্রিপুরায় আসন বণ্টন হতে চলেছে

বাম–কংগ্রেস–টিপিপি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করল, ত্রিপুরায় আসন বণ্টন হতে চলেছে (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে টুইটার এবং পিটিআই)

আগামী ২১ জানুয়ারি মুখ্য নির্বাচনী অফিসার কিরণ দীনকারাও গিট্টের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবে। সিপিএমের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু করল কংগ্রেস। এদিন সিপিএম রাজ্য দফতরে দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন কংগ্রেসের ত্রিপুরার পর্যবেক্ষক অজয় কুমার।

ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেস–সিপিএম জোট হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁরা ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক শক্তি হিসাবে ত্রিপুরা পিপলস পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিকে এই উত্তর–পূর্ব ভারতের রাজ্যে ক্ষমতায় আসা থেকে আটকাতে তৎপর হল। তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ২১ জানুয়ারি মুখ্য নির্বাচনী অফিসার কিরণ দীনকারাও গিট্টের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবে। এভাবেই তাঁদের ঐক্যবদ্ধ জোটের কর্মসূচি শুরু হবে। সিপিএমের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু করল কংগ্রেস। এদিন সিপিএম রাজ্য দফতরে দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন কংগ্রেসের ত্রিপুরার পর্যবেক্ষক অজয় কুমার।

এই তিনটি রাজনৈতিক দল একসঙ্গে একটি পদযাত্রা করবে। সেই পদযাত্রা থেকে স্লোগান উঠবে, ‘‌আমার ভোট, আমার অধিকার।’‌ সেখানে তিনটি দলের পৃথক পতাকা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এদিন আগরতলা প্রেস ক্লাবে উপস্থিত ছিলেন জিতেন্দ্র চৌধুরী থেকে সুদীপ বর্মণ সবাই। এখানে আসন বন্টন নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই বিষয়ে ত্রিপুরার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, ‘‌এই ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক শক্তি ২১ জানুয়ারি পদযাত্রা হবে। গণতন্ত্র এবং সংবিধানকে রক্ষা করতে এই পদযাত্রা হবে। আর অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতেই এই সমাবেশের আয়োজন।’‌

এদিকে সিপিএম প্রথমেই ঘোষণা করেছিল এই নির্বাচন কংগ্রেস এবং ত্র্রিপ্রা মোথাকে সঙ্গে নিয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আজ প্রথম পর্যায়ের বৈঠক হয়ে গেল। এবার ধীরে ধীরে পুরো বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। এই বৈঠক নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি বিরাজিৎ সিনহা বলেন, ‘‌আমাদের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে যারা বিজেপিকে পরাজিত করতে পারবে তাদের আসন দেওয়া হবে। মানুষ বিজেপিকে নিয়ে তিতিবিরক্ত হয়ে পড়েছে। সেটা বুঝতে পেরেই এখন বিজেপি হিংসার রাস্তা নিয়েছে। মানুষ তাদের জবাব দেবে।’‌

অন্যদিকে বিজেপি–আইপিএফটি জোট ২০১৮ সালে ৪৪টি আসনের মধ্যে ৩৬টি জয়লাভ করে ক্ষমতায় এসেছিল। তবে দু’‌জন বিধায়ক ছেড়ে দেওয়ায় এখন তাদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪। এমনকী এখানে তাদের মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করতে হয়েছে। এখন তৃণমূল কংগ্রেসও এখানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। সুতরাং সবদিক দিয়ে চাপে রয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন