বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Letter arrives after 28 years: ৩ দশক পর এল চিঠি, পড়ার রইল না কেউ, বেঁচে নেই লেখকও

Letter arrives after 28 years: ৩ দশক পর এল চিঠি, পড়ার রইল না কেউ, বেঁচে নেই লেখকও

১৯৯৫ সালে লেখা চিঠি এসে পৌঁছল ২০২৩ সালে

অবাককাণ্ড ব্রিটেনে। ১৯৯৫ সালে লেখা চিঠি এসে পৌঁছল ২০২৩ সালে। যাঁকে চিঠিটা লেখা হয়েছে, তিনি আর বেঁচে নেই। এদিকে মৃত্যু হয়েছে চিঠির লেখকেরও। 

ইন্টারনেটের জমানায় হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক মেসেঞ্জার বা ইমেলের মাধ্যমে যে কাউকে সেকেন্ডে বার্তা পাঠানো যায়। তবে ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে এমনটা হত না। তখন একে অপরকে বার্তা পাঠাতে চিঠি পাঠানোই একমাত্র উপায় ছিল। ফোন করেও কথা বলা যেত সেই সময়। তবে তখন ফোনে কথা বলার খরচ ছিল অনেক। এই আবহে চিঠি লেখাই ছিল সেরা বিকল্প। এখন তো অবশ্য চিঠি লেখার সেই অভ্যেস কারও মধ্যে সেভাবে নেই বললেই চলে। তবে ইউনাইটেড কিংডমের নর্থাম্বারল্যান্ডের বাসিন্দা জন রেনবোর বাড়ির দোরগোড়ায় সম্প্রতি একটি চিঠি এসে পৌঁছায়। বছর ৬০-এর জন চিঠি পেয়ে অবাকই হয়েছিলেন। পরে চিঠিটি হাতে নিয়ে জন দেখেন, সেটি লেখা হয়েছে ১৯৯৫ সালে। এই আবহে সেই চিঠিটি হাতে পেয়ে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলেন জন। (আরও পড়ুন: '...পেট্রোল, ডিজেলের দাম কমিয়ে ফেলুন', তেলের সংস্থাগুলিকে বললেন জ্বালানি মন্ত্রী)

জানা গিয়েছে, জন যে বাড়িতে থাকেন, সেখানকার আগের বাসিন্দা ভ্যালেরি জার্ভিস রিড-এর নামে সেই চিঠিটা পাঠানো হয়েছিল। জন এই বাড়তে ২০১৫ সাল থেকে থাকছেন। এদিকে যার নামে চিঠি পাঠানো হয়েছে, সেই জার্ভিস, এবং যিনি চিঠি পাঠিয়েছেন, তিনিও মারা গিয়েছেন। চিঠির লেখকের ছেলে জানিয়েছেন, জার্ভিস রিড-এর একটি চিঠির জবাব দিয়ে থাকতে পারেন তাঁর বাবা। এদিকে যাঁর হাতে চিঠিটি এসে পড়েছে, সেই জন জানান, চিঠিটিকে দেখতে মনেই হবে যে এটি প্রায় তিন দশক পুরোনো। জানা গিয়েছে, যাঁকে চিঠিটা লেখা হয়, সেই জার্ভিস ২০১০ পর্যন্ত এই বাড়িতে থাকেতন।

এদিকে প্রায় তিন দশক পর চিঠি গন্তব্যে পৌঁছনোর খবরে বেশ মজা পেয়েছেন নেটিজেনরা। বিবিসির পোস্টে একজন কমেন্ট করেছেন, 'কেউ কি চিঠিটা পড়েছেন? আমার তো মনে হচ্ছে এটা ১৯৮০-র দশকে লেখা।' অন্য একজন কমেন্ট করেন, '৩০ বছর পর... আমার মনে হয় এটা ১৯৭৫ সালের চিঠি।' এদিকে চিঠি দেরিতে পৌঁছনয় ডাক বিভাগের তরফে লেখা হয়েছিল - 'অসুবিধার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী'। যা দেখে একজন কমেন্ট করেন, 'আমার এই কথাটা দুর্দান্ত লেগেছে। অবশ্য, যে চিঠি লিখেছেন এবং যাঁকে চিঠি লেখা হয়েছে, তাঁরা সবাই মারা গিয়েছেন। তো এতে আর কিছু যায় আসে না।' অপর এক নেটিজেন দাবি করেন, একবার নাকি তাঁর একটি চিঠি চারবছর পর এসেছিল।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন