লকডাউনের ঘোষণার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ছবি সৌজন্য এএনআই)
লকডাউনের ঘোষণার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ছবি সৌজন্য এএনআই)

Lockdown 2.0: কেন লকডাউন শিথিলের জন্য ২০ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন মোদী?

  • প্রথম পর্যায়ে কেন মাত্র চার ঘণ্টার ঘোষণায় লকডাউন শুরু করা হয়েছিল, সেই ব্যাখ্যাও মিলেছে।

দেশে ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক কাজকর্ম শুরুর ইঙ্গিতটা মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকেই দিয়েছিলেন। তবে একেবারে সরাসরি ছাড় দেননি। ছ'দিনের একটা নজরদারি পর্ব রেখেছেন। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে লকডাউন কিছুটা শিথিলের জন্য আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত কেন অপেক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী?

আরও পড়ুন : Lockdown 2.0: যে তেরো কাজ করতে পারবেন না তেসরা মে পর্যন্ত..

এক সরকারি আধিকারিক জানান, লকডাউন থেকে বেরোনোর জন্য কী পদক্ষেপ করবেন, তা প্রত্যেকে ভালোভাবে বোঝার জন্য ছ'দিন সময় দেওয়া হয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে সবাই যাতে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন। হিন্দুস্তান টাইমসকে ওই আধিকারিক বলেন, 'ব্যবসা থেকে শুরু করে রাজ্য সরকার, জেলা প্রশাসন সবাই।' সেই ব্যাখ্যার প্রতিধ্বনি পাওয়া গেল কেন্দ্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের গলায়। তিনি জানান, পুরো পরিকল্পনায় যে দিকগুলি এখনও মসৃণ নয়, সেগুলি ঠিক করার সুযোগ দিচ্ছে এই সময়টা।

আরও পড়ুন : COVID-19 Updates: হয়তো হাজার বছরে একবার, বাদুড় থেকে মানবদেহে করোনা সংক্রমণ নিয়ে বলল ICMR

কিন্তু প্রথমবার পর্যায়ে লকডাউন ঘোষণার সময় সেই সময় দেওয়া হয়নি কেন? তখন মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে দেশজুড়ে তালাবন্ধ হয়েছিল কেন? ওই আধিকারিক জানান, সরকারের হাতে আর কোনও উপায় ছিল না। কারণ লকডাউন জারির বিষয়টি অনেক আগেভাগে মানুষকে জানালে, আসল উদ্দেশ্যটাই ব্যর্থ হতে পারত। উপসর্গযুক্ত ও উপসর্গ না থাকা মানুষের যাতাযাতের ফলে পুরো পরিকল্পনাই ভেস্তে যেতে পারত। তাছাড়া কয়েকজনকে বাইরে বেরোনোর অনুমতি দেওয়ার থেকে সবাইকে ঘরের মধ্যে অনেক সহজ বলে মত ওই আধিকারিকের।

প্রথম পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রেই অবশ্য সমন্বয়ের অভাবও প্রকট হয়ে উঠেছিল। তার প্রমাণ পাওয়া যায়, অত্যাবশ্যকীয় বা অনাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহনের ট্রাক না আটকানো বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে বারেবারে নির্দেশ পাঠানো দেখে।

সেইসব বিষয়ের কথা মাথায় রেখেই এবার একেবারে কোমর বেঁধে নেমেছে কেন্দ্র। সেজন্য রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তৃতীয় আধিকারিক বলেন, 'আমাদের আশা, যে এলাকায় করোনা আছে সেই এলাকায় আরও প্রচার করবে জেলা প্রশাসন। এলাকায় আরও ভালোভাবে লকডাউন লাগুর বিষয়ে লোকজনদের বার্তা দেবে। ' কেন্দ্রের সাফ বার্তা, কোনও এলাকায় ২৮ দিন করোনা আক্রান্তের হদিশ পাওয়া না গেলে তবেই লকডাউন শিথিল করা হবে। মিলবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ।

বন্ধ করুন