বাড়ি > ঘরে বাইরে > ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য হিন্দি-বাংলায় সরকারি কোভিড বিধি প্রচার করলেন লন্ডনের মেয়র
ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিকদের কাছে সরকারি কোভিড সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে হিন্দি, উর্দু ও পঞ্জাবি ভাষায় ভিডিয়ো প্রকাশ করলেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিকদের কাছে সরকারি কোভিড সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে হিন্দি, উর্দু ও পঞ্জাবি ভাষায় ভিডিয়ো প্রকাশ করলেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান।

ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য হিন্দি-বাংলায় সরকারি কোভিড বিধি প্রচার করলেন লন্ডনের মেয়র

  • লন্ডনে দক্ষিণ এশীয় ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে কোভিড সংক্রমণের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

ব্রিটেনে দক্ষিণ এশীয় নাগরিকদের কাছে করোনা সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে হিন্দি, উর্দু ও পঞ্জাবি ভাষায় ভিডিয়ো প্রকাশ করলেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান ও ডেপুটি মেয়র রাজেশ আগরওয়াল।

কিছু দিন আগে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানককের উদ্দেশে আবেদনে ব্রিটেনের প্রচার সংস্থা ডক্টর্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-সহ একাধিক সংস্থা জানায় যে, অ-ইংরেজিভাষী নাগরিকদের কাছে সরকারি বিধি-নিষেধ পৌঁছে দিতে অন্য ভাষায় তর্জমা করা জরুরি। 

ব্রিটিশ সরকারের সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, দেশের দক্ষিণ এশীয় ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে কোভিড সংক্রমণের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, ইংল্যান্ডে মোট ৭৯৩ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিক কোভিড সংক্রমণে মারা গিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিস জনসনের সরকার। 

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, লন্ডনের হাসপাতালে কোভিড হানায় মৃত প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে শ্বেতবর্ণের কর্মীদের তুলনায় দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত কর্মীর সংখ্যা ২০% বেশি। 

সাম্প্রতিক ব্রিটিশ সরকার প্রকাশিত ভিডিয়োতে লন্ডনের মেয়র সাদিক খান, ডেপুটি মেয়র রাজেশ আগরওয়াল ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্তারা কোভিড এড়াতে মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ববিধি পালন এবং নিয়মিত হাত ধোওয়ার পক্ষে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া, অতিমারী রোধ করতে নিষিদ্ধ হয়েছে সামাজিক ও ধর্মীয় সমাবেশ ও অনুষ্ঠান। 

লন্ডনের মেয়র জানিয়েছেন, ‘প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে বাড়িবন্দি নাগরিক, লন্ডনের দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়গুলি সংক্রমণ রোধ করতে অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমরা জানি, লন্ডনের দক্ষিণ এশীয় বাসিন্দাদের উপরে কোভিড আক্রমণের মাত্রা কিছু বেশি দেখা দিয়েছে। কিন্তু যে সময় সঠিক সরকারি নির্দেশ ও নিয়মাবলী নাগরিকদের কাছে পৌঁছানো দরকার, সেই সময় তা করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। জন্ম ও মৃত্যুর ব্যাপের মানুষের জাতিগত বৈষম্য বিচার করা অনুচিত।’

বন্ধ করুন