বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ভালোবাসার টানে মুছে গেল দুই বাংলার সীমানা, সৌজন্যে ফেসবুক
মানস আর রুমা।

ভালোবাসার টানে মুছে গেল দুই বাংলার সীমানা, সৌজন্যে ফেসবুক

  • করোনা পর্বে লকডাউনের সময় অনলাইনে পড়াশোনা শুরু হলে, ফেসবুকে পরিচয় হয় মানস মাজি ও রুমা মালের। তারপর টানা দুই বছর প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা।

ভালোবাসা কোনও দেশের সীমারেখা মানে না। এই কথাই আর একবার প্রমাণিত হল পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের যুবক মানস মাজি ও বাংলাদেশের মেয়ে রুমা মালের বিয়ের মাধ্যমে। পূর্ব মেদিনীপুরেরতমলুকের বর্গভীমা-কে সাক্ষী রেখেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন তাঁরা।প্রায় প্রতিদিন বর্গভীমা মাকে সাক্ষী রেখে বহু বিবাহ হয়ে থাকে। তবে এই বিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এই বিয়ে কেন্দ্র করে দুই দেশ, ভারত ও বাংলাদেশের সীমারেখা মুছে গেল বলে জানিয়েছেন বর্গভীমা মন্দিরের কর্মকর্তা অয়ন কুমার ভট্টাচার্য। এই বিবাহ নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের কৌতুহল ছিল চোখে পড়ার মতো।

সংবাদমাধ্যমকে মানস মাজি জানিয়েছেন,করোনা-পর্বে লকডাউনের সময় পড়াশোনা সূত্রেFacebook-এর মাধ্যমেই তাঁর প্রথম পরিচয় হয় বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার গাজিপুর এলাকার মেয়ে রুমার সঙ্গে। পড়াশোনার দৌলতে দুজনের মধ্যে সোশ্যাল মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এই বন্ধুত্বের সম্পর্ক পরিণত হয় প্রেমে। তারপরেই তাঁরা পরিবারের সম্মতিতে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ভালোবাসার জন্যে রুমা দেশ ছাড়লেও অবৈধ উপায়ে এদেশে আসেননি। একেবারে পাসপোর্ট-ভিসা নিয়েই তিন দিন আগে ভারতে আসেন রুমা। আর মেয়ের আব্দার রাখতে এবং তাঁর নতুন জীবনের সাক্ষী হতে রুমার পরিবারের সদস্যরাও ভিসা নিয়ে ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় আসেন। মানসের পরিবারও ওপার বাংলার মেয়েকে সাদরে গ্রহণ করেছেন।

বন্ধ করুন