বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লুইনজো ফেলেইরো হতে চলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য, মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লুইনজো ফেলেইরো এবং অন্যান্যরা। ফাইল ছবি, নিজস্ব চিত্র।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লুইনজো ফেলেইরো এবং অন্যান্যরা। ফাইল ছবি, নিজস্ব চিত্র।

লুইনজো ফেলেইরো হতে চলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য, মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা

  • আগামী মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন। সেখানে দেখা যেতেই গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে।

তৃণমূল কংগ্রেস এখন সর্বভারতীয় দল। আর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে গেম মেকার হতে চায় তারা। তাই ত্রিপুরাকে টার্গেট করে সেখানে সুস্মিতা দেবের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তিনি এখন তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ। সংগঠনকে মজবুত ভিতের উপর দাঁড় করাতে এখন তিনি উত্তর–পূর্বের রাজ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। এই একই ফর্মুলায় এবার গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইনজো ফেলেইরোকে রাজ্যসভায় পাঠাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস বলে সূত্রের খবর। আগামী মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন। সেখানে দেখা যেতেই গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে।

আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়া বিধানসভার নির্বাচন। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে। আজকের তারিখ দিয়ে লিখে রাখুন। এই মন্তব্যের পর সেখানে সফর করেছেন খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যসভায় পাঠাবেন। তাহলে সেখানে আরও সংগঠন মজবুত হবে। বিজেপিকে নির্বাচনে হারিয়ে আরবসাগরের তীরে উড়বে ঘাসফুলের পতাকা।

সাতবারের বিধায়ক ফেলেইরোকে রাজ্যসভার সাংসদ করে মাস্টারস্ট্রোক দিতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে সূত্রের খবর। গত সেপ্টেম্বর মাসেই কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন ফেলেইরো। তাঁর সঙ্গে যোগ দেন গোয়া কংগ্রেসের একাধিক জনপ্রতিনিধিও। গোয়ায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বিশিষ্ট টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেস এবং নাফিসা আলি।

ফেলেইরোকে রাজ্যসভার সাংসদ করলে ওখানে তাঁকে কেউ বাধা দিতে পারবেন না। ফলে সংগঠন দ্রুত শক্তিশালী হবে। কোঙ্কন উপকূলে এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তা পা রেখেই বুঝেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তবে তিনি পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ফেলেইরো তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই এই পরিকল্পনা শুরু করেছে ঘাসফুল শিবির। রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে অর্পিতা ঘোষ ইস্তফার পরই এই অঙ্ক পরিষ্কার হয়ে যায়। এই আসনে নির্বাচন হবে আগামী ২৯ নভেম্বর।

বন্ধ করুন