বাঁচবে কি মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার? (ফাইল ছবি, সৌজন্য মিন্ট)
বাঁচবে কি মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার? (ফাইল ছবি, সৌজন্য মিন্ট)

Madhya Pradesh Crisis: আস্থাভোটের আগেই কি পদত্যাগ কমল নাথের? শুরু জল্পনা

  • মোট ২২ জনের বিধায়কের ইস্তফা গৃহীত হওয়ায় মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১০৪-এ নেমে এসেছে।

বিক্ষুব্ধ ১৬ জন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অংশ নেবেন না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। এরইমধ্যে তাঁদের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করলেন মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকার এন পি প্রজাপতি। ফলে কমল নাথ সরকারের পতন অবশ্যম্ভাবী বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

বৃহস্পতিবার স্পিকার বলেন, 'আমি ১৬ জন বিধায়কের ইস্তফা গ্রহণ করেছি। যাঁরা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন দাখিল করেছিলেন। সেখানে যা বলেছেন, তার ভিত্তিতে ইস্তফা ওই ১৬ জন বিধায়কের ইস্তফা গ্রহণ করছি।'

আরও পড়ুন : মধ্যপ্রদেশ সংকট : সিন্ধিয়াকে নিন্দা গেহলটের, এবার জল্পনায় রাজস্থান

স্পিকারের সেই সিদ্ধান্তের পর মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের সরকারের পতন কার্যত নিশ্চিত বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। কারণ, ২৩০ আসন বিশিষ্ট বিধানসভায় দু'জন মারা যাওয়ায় বিধায়কের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৮। সংকটের আগে কংগ্রেসের হাতে ১১৪ জন বিধায়ক ছিল। সঙ্গে সমর্থন জুগিয়েছিলেন চার নির্দল, দুই বসপা ও এক সপা বিধায়ক। কিন্তু স্পিকার প্রথমেই ছয় মন্ত্রীর ইস্তফা গ্রহণ করায় কংগ্রেসের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১০৮। আর এবার ১৬ জনের ইস্তফা গ্রহণের পর সেই সংখ্যাটা ঠেকেছে ৯২-তে।

আরও পড়ুন : অধ্যক্ষকে সময় দিলে ঘোড়া কেনাবেচা চলবে, আস্থাভোট বিতর্কে সুপ্রিম মন্তব্য

অন্যদিকে, মোট ২২ জনের বিধায়কের ইস্তফা গৃহীত হওয়ায় মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১০৪-এ নেমে এসেছে। আর বিজেপির হাতে রয়েছে ১০৭ জন বিধায়ক। যদিও গত সোমবার রাজ্যপালের কাছে ১০৬ জন বিধায়ককে নিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। এক বিজেপি বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠীকে কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। তাতেও অবশ্য কোনও লাভ হবে না কংগ্রেসের। কারণ ওই বিধায়ককে ছাড়াই পরিবর্তিত ম্যাজিক ফিগারে টপকে যাবে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যে হুইপ জারি করেছে বিজেপি। একইপথে হেঁটেছে কংগ্রেসও।

আরও পড়ুন : ছত্তিশগড়েও জ্যোতিরাদিত্যরা রয়েছেন, বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে শুরু জল্পনা

এরইমধ্যে জল্পনা ছড়িয়েছে, হার কার্যত নিশ্চিত বুঝে আস্থা ভোটের আগেই পদত্যাগ করতে পারেন কমল নাথ। সেই জল্পনাকে উসকে দিয়ে শুক্রবার ভোপালে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। :

বন্ধ করুন