বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘লকডাউনের সময় আসছে’, নতুন বছর শুরু হতে না হতেই সতর্ক বার্তা মারাঠা মন্ত্রীর গলায়
করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী মহারাষ্ট্রে (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) (REUTERS)
করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী মহারাষ্ট্রে (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) (REUTERS)

‘লকডাউনের সময় আসছে’, নতুন বছর শুরু হতে না হতেই সতর্ক বার্তা মারাঠা মন্ত্রীর গলায়

  • ২০২১ সালের শেষ ১১ দিনে দৈনিক কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে মহারাষ্ট্রে।

শুক্রবার গতবছরের শেষ দিনে কোভিড নিয়ে আশঙ্কাবাণী শোনা গেল মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী বিজয় ওয়াডেত্তিওয়ারের গলায়। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, রাজ্যে লকডাউনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। অবশ্য তিনি জানান, লকডাউন জারির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। উল্লেখ্য, মন্ত্রীর এই মন্তব্যের দিনই মহারাষ্ট্রে একই দিনে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে মুম্বই সহ গোটা দেশেই। এই আবহে বর্ষবরণের রাতে বাণিজ্যনগরীতে কড়াকড়ি ছিল চরমে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সেরাজ্যে জারি আছে রাত্রিকালীন কার্ফু।

মহারাষ্ট্রের বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রী বলেন, ‘লকডাউনের সময় ঘনিয়ে আসছে। তবে কবে নাগাদ লকডাউন জারি করা হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী। ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ বা স্কুল-কলেড খোলা নিয়েও সিদ্ধান্ত সেই সময়ই নেওয়া হবে।’

করোনভাইরাসের নতুন ওমিক্রন রূপের বিস্তারের মাঝেই ২০২১ সালের শেষ ১১ দিনে দৈনিক কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এর জেরে রাজ্য সরকারকে নতুন নির্দেশিকা জারি করতে হয়েছিল। এর জেরে ফের একবার খোলা জমায়েতের ক্ষেত্রে অতিথিদের উপস্থিতি সীমাবদ্ধ করার ঘোষণা করতে বাধ্য হয় সরকার।

সরকারের তরফে নির্দেশিকায় বলা হয়, ‘বিবাহ বা অন্য কোনও সামাজিক, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে, উপস্থিতির সর্বোচ্চ সংখ্যা ৫০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীদের সর্বোচ্চ সংখ্যা ২০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। রাজ্যের অন্য কোনও পর্যটনস্থলে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে প্রয়োজন বুঝে।’

বন্ধ করুন