ফাইল ছবি 
ফাইল ছবি 

লকডাউনে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১৪০ জনের, ৩০% পরিযায়ী শ্রমিক

স্পিড লিমিটের ওপর গাড়ি চালানো থেকেই বিপত্তি। 

শুক্রবার সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মালগাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জন পরিযায়ী শ্রমিকের। আহত হয়েছেন পাঁচজন। ঔরঙ্গাবাদের পুলিশ সুপার মোকশাদা পাতিল জানিয়েছেন, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 জানা গিয়েছে মধ্যপ্রদেশে হেঁটে যাচ্ছিলেন এই শ্রমিকরা। প্রায় ৩৬ কিলোমিটার পথ হাঁটার পর একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য শুয়ে গিয়েছিলেন তারা। আচমকা আসে মালগাড়ি। তাতেই হয় মৃত্যু। তবে এটি ব্যতিক্রম নয়। পরিযায়ীরা দীর্ঘ পথ হেঁটে চলছেন। ক্লান্তির ফলে অনেক সময়ই তারা খেয়াল রাখতে পারছেন না কোথা থেকে গাড়ি আসছে। ফলে অপেক্ষাকৃত খালি রাস্তা থাকা সত্ত্বেও দেশ জুড়ে অ্যাক্সিডেন্টের খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

SaveLIFE Foundation এনজিও জানিয়েছে যে গত পাঁচ সপ্তাহে রোড অ্যাক্সিডেন্টে ১৪০ জন মারা গিয়েছেন। এদের মধ্য ৩০ শতাংশ পরিযায়ী শ্রমিক। মার্চ ২৩- মে ৩-এর মধ্যে এই ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। গাড়ি স্পিড লিমিটের ওপরে যাওয়ার ফলেই সর্বাধিক দুর্ঘটনা হয়েছে। 

এই সময় মোট ৬০০টি দুর্ঘটনা হয়েছে লকডাউনের দুই দফায়। এর মধ্যে ১৪০ জন মারা গিয়েছেন। প্রায় ৫৭ শতাংশ হলেন যারা গাড়ি চালাচ্ছিলেন। বাকিরা হলেন পরিযায়ী শ্রমিক ও অত্যাবশ্যক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। 

শুক্রবার সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মালগাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জন পরিযায়ী শ্রমিকের। আহত হয়েছেন পাঁচজন। ঔরঙ্গাবাদের পুলিশ সুপার মোকশাদা পাতিল জানিয়েছেন, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 জানা গিয়েছে মধ্যপ্রদেশে হেঁটে যাচ্ছিলেন এই শ্রমিকরা। প্রায় ৩৬ কিলোমিটার পথ হাঁটার পর একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য শুয়ে গিয়েছিলেন তারা। আচমকা আসে মালগাড়ি। তাতেই হয় মৃত্যু। তবে এটি ব্যতিক্রম নয়। পরিযায়ীরা দীর্ঘ পথ হেঁটে চলছেন। ক্লান্তির ফলে অনেক সময়ই তারা খেয়াল রাখতে পারছেন না কোথা থেকে গাড়ি আসছে। ফলে অপেক্ষাকৃত খালি রাস্তা থাকা সত্ত্বেও দেশ জুড়ে অ্যাক্সিডেন্টের খবর পাওয়া যাচ্ছে। 

SaveLIFE Foundation এনজিও জানিয়েছে যে গত পাঁচ সপ্তাহে রোড অ্যাক্সিডেন্টে ১৪০ জন মারা গিয়েছেন। এদের মধ্য ৩০ শতাংশ পরিযায়ী শ্রমিক। মার্চ ২৩- মে ৩-এর মধ্যে এই ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। গাড়ি স্পিড লিমিটের ওপরে যাওয়ার ফলেই সর্বাধিক দুর্ঘটনা হয়েছে। 

এই সময় মোট ৬০০টি দুর্ঘটনা হয়েছে লকডাউনের দুই দফায়। এর মধ্যে ১৪০ জন মারা গিয়েছেন। প্রায় ৫৭ শতাংশ হলেন যারা গাড়ি চালাচ্ছিলেন। বাকিরা হলেন পরিযায়ী শ্রমিক ও অত্যাবশ্যক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। 

 

 

বন্ধ করুন