বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলেন ট্র্যাফিক কনস্টেবল, অপহরণ করে পালাল যুবক
গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলেন ট্র্যাফিক কনস্টেবল, অপহরণ করে পালাল যুবক। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলেন ট্র্যাফিক কনস্টেবল, অপহরণ করে পালাল যুবক

  • টেস্ট ড্রাইভের বাহানায় বছরদুয়েক আগে গাড়িটি চুরি করা হয়েছিল।

গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চেয়েছিলেন। সেজন্য এক কর্মরত ট্র্যাফিক কনস্টেবলকে অপহরণ করল এক যুবক। প্রায় ১০ কিলোমিটার যাওয়ার পর ওই ট্র্যাফিক কনস্টেবলকে একটি পুলিশ পোস্টের কাছে ফেলে দেয়। এমনই অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায়।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, টেস্ট ড্রাইভের বাহানায় বছরদুয়েক আগে হরিয়ানার গুরুগ্রামের একটি শো-রুম থেকে মারুতি সুইফট ডিজায়ার চুরি করেছিল সুনীল রাওয়াল (২৯)। জেরায় সুনীল জানিয়েছে, গাড়িতে একটি ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগিয়ে দেয় গ্রেটার নয়ডার ঘোড়ি বাচেড়ার বাসিন্দা। গ্রামেরই এক বাসিন্দার গাড়ির নম্বর ব্যবহার করতে থাকে সুনীল।

তারইমধ্যে রবিবার সকালে সুরজপুরের কাছে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, একটি চুরি করা গাড়িতে করে সুনীল যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যায়। সুরজপুরে তাঁর গাড়ি আটকানো হয়। গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান ট্র্যাফিক কনস্টেবল বীরেন্দ্র সিং। সুনীল দাবি করে, গাড়িতে কাগজপত্র নেই। তবে ফোনে রাখা আছে। সেজন্য কনস্টেবলকে গাড়িতে বসতে বলে সুনীল। সেই নথি দেখার জন্য ট্র্যাফিক কনস্টেবল গাড়িতে বসার পরই দরজা লক করে দেয় অভিযুক্ত। তারপর প্রায় ১০ কিলোমিটার গাড়িতে করে কনস্টেবলকে নিয়ে যায়। শেষে অজয়বপুর পুলিশ চৌকির কাছে বীরেন্দ্রকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় সুনীল।

সোমবার সুরজপুর থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৪ ধারা (অপহরণ), ৩৫৩ ধারা (সরকারি কর্মীর কাজে বাধা দিতে হেনস্থা বা অপরাধমূলক কাজ) এবং ৩৬৮ ধারায় এফআইআর রুজু করা হয়। পরে অভিযুক্ত সুনীলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটিও। যে গাড়িটি চুরি করেছিল সুনীল।

বন্ধ করুন