বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ১১ মাসে ১২ বার কোভিড টিকা নেওয়ার দাবি অশীতিপর বৃদ্ধের! হইচই পড়ে গেল বিহারে
১১ মাসে ১২ বার কোভিড টিকা নেওয়ার দাবি অশীতিপর বৃদ্ধের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
১১ মাসে ১২ বার কোভিড টিকা নেওয়ার দাবি অশীতিপর বৃদ্ধের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

১১ মাসে ১২ বার কোভিড টিকা নেওয়ার দাবি অশীতিপর বৃদ্ধের! হইচই পড়ে গেল বিহারে

  • ৮৪ বছর বয়সী ব্রহ্মদেবের দাবি, ৯ বার তিনি নিজের ফোন নম্বর ও আধার কার্ড ব্যবহার করে টিকা নিয়েছেন। বাকি তিনবার নাকি ব্রহ্মদেব নিজের স্ত্রীর আধার ও ফোন নম্বর ব্যবহার করে টিকা নিয়েছেন।

বিহারের এক অশীতিপর বৃদ্ধ দাবি করলেন গত ১১ মাসে তিনি ১২ বার কোভিড টিকা নিয়েছেন। বৃদ্ধের এই দাবি ঘিরে হইচই পড়ে গিয়েছে বিহারে। বিহারের রাজধানী পটনা থেকে ২৪০ কিলোমিটার উত্ত-পূর্বে অবস্থিত মাধেপুরা জেলার বাসিন্দা সেই গত মঙ্গলবার করোনা টিকা নেন ব্রহ্মদেব মণ্ডল নামক এই অশীতিপর বৃদ্ধি। আর তারপরেই তিনি দাবি করেন, গত ১১ মাসে তিনি এই নিয়ে দ্বাদশবার করোনা টিকা নিয়েছেন। আর তাঁর এই দাবির পরই বিহার সরকার এই সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে।

৮৪ বছর বয়সী ব্রহ্মদেবের দাবি, ৯ বার তিনি নিজের ফোন নম্বর ও আধার কার্ড দেখিয়েই টিকা নিয়েছেন। বাকি তিনবার নাকি ব্রহ্মদেব নিজের স্ত্রীর আধার ও ফোন নম্বর দেখিয়ে টিকা নিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে মাধেপুরা জেলার সিভিল সার্জন ডঃ অমরেন্দ্র প্রতাপ শাহী জানান, এভাবে একাধিকবার রেজিস্টার করে করোনা টিকা নেওয়া যায় না। পাশাপাশি ব্রহ্মদেবের ‘মানসিক স্থিতি’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অমরেন্দ্র প্রতাপ। তিনি বলেন, ‘কথা বলার মাঝেই সেই বৃদ্ধি বলতে শুরু করলেন তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভক্ত এবং তিনি রাজীব গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের বিরোধী, আমার মনে হল তাঁর মানসিক ভারসাম্য সঠিক নেই। তিনি তো আবার দাবি করেছেন যে টিকা নিয়ে তাঁর জয়েন্টের ব্যথা কমেছে, ক্ষিদে বেড়েছে।’

ব্রহ্মদেব মণ্ডল দাবি করেন, তিনি গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি পুরাইনি পিএইচসিতে দুপুর আড়াইটের সময় প্রথম টিকা নিয়েছিলেন। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিনি একই আধার এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নয়বার ভ্যাকসিন নিয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারির পর ১৩ মার্চ, ১৯ মে, ১৬ জুন, ২৪ জুলাই, ৩১ অগস্ট, ১১ সেপ্টেম্বর, ২২ সেপ্টেম্বর, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২৮ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি ভ্যাকসিন নিয়েছেন। মণ্ডল দাবি করেছেন যে তিনি যথাক্রমে ২৮ ডিসেম্বর এবং ৩০ ডিসেম্বর খাগরিয়া জেলার প্রাভাট্টা গ্রামে এবং ভাগলপুর জেলার কাহালগাঁও শহরে টিকা নেন। শেষ তিনটি ডোজ তিনি তাঁর স্ত্রীর ভোটার পরিচয়পত্র এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নিয়েছেন বলে দাবি করেন।

 

বন্ধ করুন