বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দু'বার মৃত ঘোষণার পর শ্মশানে শুরু তোড়জোড়, আচমকা এল বেঁচে থাকার ফোন!
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতির জন্য হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতির জন্য হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

দু'বার মৃত ঘোষণার পর শ্মশানে শুরু তোড়জোড়, আচমকা এল বেঁচে থাকার ফোন!

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতির জন্য হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

করোনা আক্রান্ত হলেও জীবিতই রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল তিনি মারা গিয়েছেন। এই ভুল একবার নয়, দু'দুবার হয়েছে। স্বভাবতই এবার হাসপাতালের কর্মীদের দাযিত্বশীলতা নিয়ই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এক জীবিত ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করে দেওয়া হল, তা নিয়েই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রীতিমতো এখন উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন রোগীর পরিবারের আত্মীয়রা।

মধ্যপ্রদেশের বিদিশা জেলার সুলতানিয়া গ্রামের বাসিন্দা ৫৮ বছর বয়সি গোরেলাল কোরি।গোরেলালকে গত ১২ এপ্রিল অটলবিহারী বাজপেয়ী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়।শ্বাসকষ্ট নিয়েই হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন গোরেলাল। গত ১৪ এপ্রিল ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয় তাঁকে। গোরেলালের ছেলে বলেন, ‘‌এরপর ১৫ তারিখ বিকেলে হাসপাতাল থেকে একজন নার্স ফোন করে জানান, আমার বাবা মারা গিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা হাসপাতালে পৌঁছাই। দেখি, উনি দিব্যি বেঁচে আছেন। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। পরে চিকিৎসকরা আমায় জানায, বাবার একটি অস্ত্রোপচার করা হতে পারে।’‌ এখানেই শেষ নয়। গোরেলালের ছেলে জানান, এরপরেও হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হয়, অস্ত্রোপচারের সময়ে তাঁর বাবা মারা গিয়েছেন।তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাই এখনই তাঁর দেহ দেওয়া যাবে না।এই কথা শুনে শ্মশানঘাটেও পৌঁছে যান তারা। পরে হাসপাতাল থেকে ফোন করে জানানো হয়, তিনি এখনও বেঁচে আছেন। শুনে স্বভাবতই হতভম্ব হয়ে পড়েন গোরেলালের পরিবারের লোকজন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতির জন্য হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মেডিক্যাল কলেজের ডিন সুনীল নানদেশশ্বর জানান, আসলে ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। একবার ওই রোগীর হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।পরে হাসপাতালের মার্স পাম্প আউট করা শুরু করেন। পরে আবার হৃদস্পন্দন হওয়া শুরু হয়।

বন্ধ করুন