ছবিটি প্রতীকী।
ছবিটি প্রতীকী।

পরপুরুষের সঙ্গে ফোনালাপ, স্ত্রী ও ২ শিশুসন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী যুবক

  • গোয়েন্দাদের অনুমান, স্ত্রী ও সন্তানদের গলা টিপে খুন করার পরেই আত্মহত্যা করে যুবক।

নিষেধ করা সত্ত্বেও স্ত্রী অন্য পুরুষের সঙ্গে কথা বলায় তাঁকে ও দুই শিশুসন্তানকে হত্যা করে আত্মঘাতী হলেন গাজিয়াবাদের এক যুবক।

মঙ্গলবার রাতে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের সাহিবাবাদ থানার অন্তর্গত অঞ্চল থেকে ফোন করে থানায় খবর দিয়েছিলেন বাসিন্দারা। অভিশপ্ত বাড়িতে পৌঁছে ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকা বছর পঁচিশের এক মহিলা ও দুই শিশুর দেহও পাওয়া যায়।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, আদতে বিজনৌরের অধিবাসী ওই পরিবার কয়েক মাস আগে গাজিয়াবাদের এই এলাকায় এসে বসবাস শুরু করে ওই পরিবার।

সাহিবাবাদ থানার সার্কেল অফিসার রাকেশ মিশ্র জানিয়েছেন, ‘সন্দেহ করা হচ্ছে যে, দুই বছরের পুত্রসন্তান, চার বছরের কন্যাসন্তান ও স্ত্রীকে খুন করার পরে নিজের গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন যুবক। ঘরের দেওয়ালে লেখা সুইসাইড উদ্ধার করা গিয়েছে। ওই নোটে কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছে যাতে খুন ও আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে আভাস মিলেছে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন বলে আর কিছু বলা সম্ভব নয়।’

দেওয়ালে লেখা সুইসাইড নোটে যুবক জানিয়েছেন যে, স্ত্রীকে তিনি অত্যন্ত ভালোবাসলেও তিনি অন্য পুরুষদের সহ্গে কথা বলতেন এবং মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন। দেওয়ালে পাঁচটি মোবাইল নম্বরও লেখা রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নিহত মহিলা এই ন্বরগুলিতে ফোন করেই অন্য পুরুষদের সঙ্গে কথা বলতেন। তবে সুইসাইড নোটে নিজের তিন ভায়রাভাইয়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে গিয়েছেন আত্মঘাতী যুবক।

তিনটি দেহের গলায় দাগ দেখা গিয়েছে. গোয়েন্দাদের অনুমান, স্ত্রী ও সন্তানদের গলা টিপে খুন করার পরেই আত্মহত্যা করে যুবক। দেহগুলি ময়না তদন্তে জন্য হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বন্ধ করুন