বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > এবার খোদ মণিপুরের BJP মুখ্যমন্ত্রীর গলায় AFSPA প্রত্যাহারের দাবি!
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা এন বীরেন সিং (ফাইল ছবি পিটিআই) (PTI)
মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা এন বীরেন সিং (ফাইল ছবি পিটিআই) (PTI)

এবার খোদ মণিপুরের BJP মুখ্যমন্ত্রীর গলায় AFSPA প্রত্যাহারের দাবি!

  • এর আগে নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও এবং মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছিলেন।

বিরোধীরা তো সরব ছিলই, এবার বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও আফস্পার বিরুদ্ধে সরব হলেন। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী তথা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতা এন বীরেন সিং শনিবার বলেন যে তিনি উত্তর-পূর্ব থেকে সশস্ত্র বাহিনী (বিশেষ ক্ষমতা) আইন বা আফস্পা প্রত্যাহারের পক্ষে। এর আগে নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও এবং মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছিলেন। তবে বিজেপির কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এহেন দাবি এই প্রথম।

এই বিষয়ে বীরেন সিং বলেন, ‘আফস্পা অপসারণের অবস্থান আমাদের অনেক দিনের। তবে আমাদের কেন্দ্রের সাথে আরও ভালো বোঝাপড়া তৈরি করতে হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, আমাদের কথা বলা দরকার, একটি বোঝাপড়ায় পৌঁছানোর জন্য আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।’ এদিকে নাগাল্যান্ডে কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ড এবং আফস্পার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত মণিপুরেও। সেরাজ্যের চান্দেল, সেনাপতি, তামেংলং এবং উখরুলে অবস্থান বিক্ষোভ জারি রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর নাগাল্যান্ডের মন জেলায় সুরক্ষাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ৬ জনের৷ তার জেরে অশান্তি এবং গ্রামবাসীর সেনার উপর আক্রমণের ঘটনায় মৃত্যু হয় আরও ৮ জন গ্রামবাসীর৷ সেই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করে নোটিস ইস্যু করে মানবাধিকার কমিশন৷ সেই নোটিস পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা সচিব, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, নাগাল্যান্ডের মুখ্য সচিব এবং সেরাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে৷ এদিকে ঘটনার প্রেক্ষিতে অমিত শাহ নিজেও বিবৃতি পেশ করেন সংসদে৷ তাঁর দাবি, নিরাপত্তারক্ষীরা সংশ্লিষ্ট গাড়িকে থামতে বলে। তবে সেটি না থামায় সন্দেহের বসে গাড়িটিকে তাড়া করে গুলি চালানো হয়েছিল৷ যদিও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে গাড়িটির দিকে সামনে থেকে গুলি চালানো হয়৷ তাড়া করা হলে গুলি পিছন থেকে হওয়ার কথা ছিল৷ তাছাড়া যেখানে ঘটনাটি ঘটনে, সেই স্থানে কোনও চেকপোস্টও ছিল না, তাই গাড়ি দাঁড় করানোর প্রশ্নও ওঠে না৷ সেনা ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে৷ বিরোধীরাও এই নিয়ে ক্রমেই সুর চড়াচ্ছেন৷

 

 

বন্ধ করুন