বাড়ি > ঘরে বাইরে > কার্গিল বিজয় দিবসের প্রতি ‘মন কি বাত’ উৎসর্গ, জওয়ানদের কাহিনি প্রচারের আর্জি মোদীর
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ছবি, সৌজন্য এএনআই)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ছবি, সৌজন্য এএনআই)

কার্গিল বিজয় দিবসের প্রতি ‘মন কি বাত’ উৎসর্গ, জওয়ানদের কাহিনি প্রচারের আর্জি মোদীর

  • ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে মোদীর বক্তৃতার হাইলাইটস।

আজ, রবিবার কার্গিল বিজয় দিবস। সেদিনই ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য :

১) আজ ২৬ জুলাই। আজ অত্যন্ত বিশেষ দিন। আজ কার্গিল বিজয় দিবস। ২১ বছর আগে আজকের দিনেই কার্গিল যুদ্ধে ভারতীয় সেনা জয়ের পতাকা তুলেছিল। যে পরিস্থিতিতে কার্গিল যুদ্ধ হয়েছিল, তা মানুষ কোনওদিন ভুলতে পারবেন না। পাকিস্তান বড় বড় অস্ত্র নিয়ে ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিল। নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ কলহ থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করেছিল। দুষ্টদের স্বভাব এটাই যে তারা কোনও কারণ ছাড়াই যে কারোর সঙ্গে শত্রুতা করে। 

২) যাঁরা ভালো কাজ করেন. তাঁদেরও খারাপ করার কথা ভাবে এই স্বভাবের লোকজন। দুষ্ট চরিত্রের লোক সবার খারাপ কাজ করার চেষ্টা করে। ভারত বন্ধুত্ব দেখিয়েছিল, পিঠে ছুরি মারার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। তারপর ভারতের জওয়ানরা যে পরাক্রম দেখিয়েছিলেন, তা সারা বিশ্ব দেখিয়েছিল। আজ ভাবতে পারেন, পাহাড়ের উপর শুত্রুরা বসেছিল এবং নীচে লড়ছিলেন আমাদের জওয়ানরা। কিন্তু উচ্চতার নয়, আমাদের বীর জওয়ানদের জয় হয়েছিল।

৩) দেশের যুবপ্রজন্মের কাছে আর্জি, আজ সারাদিন কার্গিলে লড়া জওয়ানদের নিয়ে বিভিন্ন কাহিবনি তুলে ধরুন। আজ আমি দেখছি, সারাদিন কার্গিল যুদ্ধে বীর জওয়ানদের কাহিনি তুলে ধরছেন দেশবাসীর। #CourageinKargil হ্যাশট্যাগ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বীর জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের সম্মান জানাচ্ছেন। দেশবাসীর পাশাপাশি আমিও সব জওয়ান এবং তাঁদের মায়েদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আপনারা সত্যিকারের সুপুত্রদের পৃথিবীতে এনেছিলেন।

৪) আমি আজ একটা আর্জি করছি। www.gallantryawards.gov.in নামে একটি ওয়েবসাইট আছে। আপনারা সেই সাইটে যান।

৫) কার্গিল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী লালকেল্লা যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক।

৬) আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, আমরা এমন কথা বলব যে যাতে জওয়ানদের মনোবল বাড়ে, শক্তি বাড়ে। দেশকে একতার সূত্রে বাধা পড়তে হবে।

৭) অনেকেই না জেনে বুঝে ভুল জানা সত্ত্বেও হোয়্যাটসঅ্যাপে ফরোয়ার্ড করে দেন। এখন শুধু সীমান্তে যুদ্ধ লড়া হয় না। 

৮) শুরুর মতোই এখনও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে করোনাভাইরাস। তাই এখন সতর্ক থাকা উচিত। তাই মাস্ক পরা, দু'গজের দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। সেগুলি ভালোভাবে মেনে চলা উচিত।

৯) আমি জানি, অনেকক্ষণ মাস্ক পরে থাকতে অসুবিধা হয়। কথা বলার সময় মাস্ক খুলে রাখেন। অথচ সেই সময়েই সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আর সেই সময় মাস্ক খুলে রাখছেন! যখনই এরকম মনে হবে, তখন চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের কথা ভাবুন। যাঁরা ৮-১০ ঘণ্টা একটানা মাস্ক পরে থাকেন। দেশের নাগরিক হিসেবে তাঁদের সঙ্গে দাঁড়ান।

১০) দেশবাসীর কাছে আমার আর্জি, এবারের স্বাধীনতা দিবসে আত্মনির্ভর ভারতে গড়ে তোলার শপথ নিন।

বন্ধ করুন