বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ক্লাস টেনের ভুয়ো রুটিন ভাইরাল, পরীক্ষাই দিতে পারল না অনেকে, কী হবে এবার?

ক্লাস টেনের ভুয়ো রুটিন ভাইরাল, পরীক্ষাই দিতে পারল না অনেকে, কী হবে এবার?

রুটিন নিয়ে বিভ্রান্ত ছড়ায় (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

অভিভাবকদের দাবি প্রসঙ্গে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক কেশরকর জানিয়েছেন, এখানে বোর্ডের কোনও ভুল নেই। পড়ুয়াদের বার বার বলা হয়েছিল ওই ভাইরাল সূচিকে বিশ্বার করবে না। কিন্তু তারা বিশ্বাস করেছে।

মুম্বইতে ক্লাস ১০এর বোর্ড পরীক্ষার একটি ভুয়ো রুটিন সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছিল। এদিকে সেই রুটিনকে আসল বলে ভুল করে ফেলেন অনেকে। তার জেরে বৃহস্পতিবার অনেকেই হিন্দি পরীক্ষা দিতে পারেননি। এদিকে ফের সেই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য  দাবি তুলেছেন অভিভাবকরা। তবে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী অভিভাবকদের দাবি মানতে চাননি। তাঁর মতে এর সঙ্গে আমাদের বোর্ডের কোনও যোগ নেই। 

এদিকে মহারাষ্ট্র স্টেট বোর্ড অফ সেকেন্ডারি অনুসারে এবার মহারাষ্ট্রে হিন্দি পরীক্ষার তারিখ ছিল  ৮ মার্চ। এদিকে একটি ভুয়ো পরীক্ষা সূচি সম্প্রতি ভাইরাল হয়। সেখানে লেখা ছিল হিন্দি পরীক্ষা হবে ৯ মার্চ। এই সূচি দেখে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে যান। তার জেরে ৮ মার্চের পরীক্ষায় তারা আর যাননি। 

এদিকে অভিভাবকদের দাবি প্রসঙ্গে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী  দীপক কেশরকর জানিয়েছেন,  এখানে বোর্ডের কোনও ভুল নেই। পড়ুয়াদের বার বার বলা হয়েছিল ওই ভাইরাল সূচিকে বিশ্বার করবে না। কিন্তু তারা বিশ্বাস করেছে। এবার তাদের জুলাই মাসে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় বসতে হবে। এছাড়া আর কিছু করার নেই। 

এক ছাত্রের বাবা জানিয়েছেন, ভাইরাল টাইমটেবল দেখে আমার ছেলের হিন্দি পরীক্ষা দেওয়া হল না। দশম শ্রেণির পরে সে আইআইটির জন্য় প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আমরা তার জন্য় খরচও করছি। এবার বুঝতে পারছি না কী হবে। সরকারের উচিত ছিল সেই মান্ধাতার আমলের পদ্ধতিতে না গিয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় পরীক্ষা সূচিকে প্রকাশ করা।

MSBSHSE এর চেয়ারম্য়ান শরদ গোসাভি জানিয়েছেন, ভাইরাল টাইমটেবলকে বিশ্বাস করাটা পড়ুয়াদের ভুল। আমরা বার বার বলেছিলাম ওই টাইম টেবলকে বিশ্বাস করো না। এর সঙ্গেই এবার তাদের জুলাই মাসে সাপ্লমেন্টারি পরীক্ষায় বসতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদের অনেকটাই অপেক্ষা করতে হবে। 

এদিকে বোর্ডের এক কর্তার দাবি, অন্তত ৫টি ফোন আমরা পেেয়ছিলাম। যারা এদিন পরীক্ষা দিতে পারেননি। আমরা তাদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম তারা এই সূচিটা ঠিক কোথায় পেয়েছে। তারা জানিয়েছেন একটি কার্ডের ছবি তুলে সেটা অনেক গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি তারা পড়েছে মহা সমস্যায়। আপাতত তাদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় না বসা ছাড়া অন্য় উপায় নেই। কেন তারা ওই ভাইরাল পরীক্ষার সূচিতে বিশ্বাস করেছিল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অভিভাবকদের মধ্য়েও এনিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। 

বন্ধ করুন