বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > স্বস্তির নিঃশ্বাস, ছত্তিশগড়ে অপহৃত কোবরা জওয়ানকে ছেড়ে দিল মাওবাদীরা
মুক্তি পাওয়ার পর সিআরপিএফের ক্যাম্পে জওয়ান (বাঁ-দিকে), ডানদিকে মাওবাদীদের হেফাজতে। (ছবি সৌজন্য এএনআই)
মুক্তি পাওয়ার পর সিআরপিএফের ক্যাম্পে জওয়ান (বাঁ-দিকে), ডানদিকে মাওবাদীদের হেফাজতে। (ছবি সৌজন্য এএনআই)

স্বস্তির নিঃশ্বাস, ছত্তিশগড়ে অপহৃত কোবরা জওয়ানকে ছেড়ে দিল মাওবাদীরা

  • প্রায় ১৫০ জন গ্রামবাসীর সামনে তাঁকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

ছত্তিশগড়ে অপহৃত কোবরা জওয়ানকে ছেড়ে দিল মাওবাদীরা। সিআরপিএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিকেল পাঁচটা নাগাদ প্রায় ১৫০ জন গ্রামবাসীর সামনে রাকেশ সিং মানহাসকে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর বিজাপুরে সিআরপিএফে ক্যাম্পে পৌঁছে যান। বিজাপুরের পুলিশ সুপার বলেছেন, 'ওঁকে আমরা সুরক্ষিতভাবে ফিরিয়ে এনেছি। এখানে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা হবে।'

সিআরপিএফ এলিট বাহিনীর জওয়ানের মুক্তির খবরে রীতিমতো স্বস্তি পেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। আনন্দে কেঁদে ফেলেন তাঁর স্ত্রী মিনু। বলেন, 'আজ আমার জীবনে সবথেকে আনন্দের দিন। আমি সবসময় ওর ফেরার বিষয়ে আশাবাদী ছিলাম।' বছর ৩৫-এর রাকেশ সিআরপিএফের ২১০ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ডো হলেন রাকেশ্বর সিং মানহাস। তাঁর মেয়েও আছে।

গত ৩ এপ্রিল সুকমা-বিজাপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় জোনাগুড়া গ্রামের কাছে বস্তার জঙ্গলে মাওবাদীদের গেরিলা বাহিনীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির লড়াই হয়েছিল। তাতে ২২ জন সিআরপিএফের কোবরা, ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের মৃত্যু হয়। তারইমধ্যে রাকেশ্বর সিং মানহাস নামে সিআরপিএফের কোবরা জওয়ানকে অপহরণ করেছিল মাওবাদীরা। পরে নিজেদের মাওবাদী হিসেবে দাবি করে ওই কোবরা জওয়ানের পরিচয় ও ছবি হোয়্যাটসঅ্যাপে প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে তাঁর মুক্তির জন্য সরকারকে একজন মধ্যস্থতকারী নিযুক্ত করারও দাবি জানানো হয়েছিল। তারইমধ্যে বস্তারের আইজি পি সুন্দররাজ জানিয়েছিলেন, কোবরা জওয়ানকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। তারপর বিকেলেই মুক্তি পেয়েছেন ওই জওয়ান। যিনি পাঁচদিন মাওবাদীদের হেফাজতে ছিলেন।

বন্ধ করুন