বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মথুরায় শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অদূরে শাহী ইদগাহ সরিয়ে নেওয়ার আর্জি খারিজ করল আদালত
মথুরায় শ্রীকৃষ্ণ মন্দির চত্বর সংলগ্ন শাহী ইদগাহ। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
মথুরায় শ্রীকৃষ্ণ মন্দির চত্বর সংলগ্ন শাহী ইদগাহ। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)

মথুরায় শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অদূরে শাহী ইদগাহ সরিয়ে নেওয়ার আর্জি খারিজ করল আদালত

  • আবেদনকারীদের দাবি, মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব একটি মন্দির ভাঙার পরে ওই মসজিদটি নির্মাণ করিয়েছিলেন।

কিছুদিন আগেই মথুরায় শ্রীকৃষ্ণ মন্দির চত্বর সংলগ্ন শাহী ইদগাহ সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানিয়ে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়। বুধবার সেই মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমানের তরফে মথুরা সিনিয়র ডিভিশনের সিভিল জাজের আদালতে দায়ের করা এই মামলা প্রথম শুনানিতেই বাতিল হয়ে গেল।

আবেদনকারীদের দাবি, মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব একটি মন্দির ভাঙার পরে ওই মসজিদটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। তাতে মন্দির চত্বরের ১৩.৩৭ একর জমি পুনরুদ্ধাদের দাবি জানানো হয়।

জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত পরামর্শদাতা ভগত সিং আর্য জানিয়েছেন, বুধবার আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। আবেদনকারীদের মধ্যে যাঁরা অন্য জেলার বাসিন্দা তাঁরা এখন উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

আবেদনকারীদের আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন জানান, এখনও তিনি এই মামলা খারিজ করার কোনও কারণ খুঁজে পাননি। মামলার শুনানির পর ইতিমধ্যে তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। ন্যায়বিচারের জন্য এবার তাঁরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

উল্লেখ্য, বিতর্কিত সম্পত্তির জন্য শাহী ইদগাহ ট্রাস্টের সঙ্গে মন্দিরের পরিচালনা পর্ষদ শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান অবৈধভাবে আপস করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। আবেদনে জানানো হয়েছে, ‘দেবতা (শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান) এবং ভক্তদের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করছে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান। শাহী ইদগাহ ট্রাস্ট্রের পরিচালন সমিতির কমিটির সঙ্গে জালিয়াতি করে ১৯৬৮ সালে দেবতা এবং ট্রাস্টের সম্পত্তির ভালোরকম অংশ আপস করেছে।’

শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান এবং ট্রাস্টের মধ্যে আপস করার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা নিয়ে ১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই রায় দিয়েছিলের মথুরার সিভিল জাজ। সেই রায় খারিজের আর্জি জানালে বর্তমান মামলাই খারিজ হয়ে গেল।

বন্ধ করুন