বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Narendra Modi Led World Peace Commission: বিশ্ব শান্তির জন্য পোপ-মোদীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের সুপারিশ মেক্সিকোর

Narendra Modi Led World Peace Commission: বিশ্ব শান্তির জন্য পোপ-মোদীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের সুপারিশ মেক্সিকোর

পোপ-মোদীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি গঠনের সুপারিশ মেক্সিকোর (ANI)

মেক্সিকান প্রেসিডেন্টের সুপারিশ, এই কমিশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়া ভ্যাটিকানের পোপ ফ্রান্সিস এবং রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস থাকবেন। ওব্রাডোরের সুপারিশ অনুযায়ী, এই কমিশনের লক্ষ্য হবে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য একটি প্রস্তাব পেশ করা।

বিশ্ব শান্তির প্রচারে তিন বিশ্ব নেতার সমন্বয়ে একটি কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রসংঘের কাছে আবেদন জানালেন মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর। পাঁচ বছরের জন্য এই কমিশন গঠনের সুপারিশ করেতে চলেছেন লোপেজ ওব্রাডোর। তিনি রাষ্ট্রসংঘে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি করা হয়েছে এমএসএন ওয়েব পোর্টালের রিপোর্টে।

জানা গিয়েছে, ওয়েব পোর্টালকে মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি লিখিতভাবে প্রস্তাব দেব। রাষ্ট্রসংঘে উপস্থাপন করব বিষয়টি। আমি এটা বলেছি এবং আমি আশা করি মিডিয়া আমাদের এই প্রস্তাবের বার্তা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে। কারণ যখন মিডিয়ার পক্ষে অসুবিধা হয়ে থাকে তারা কথা বলে না।’

আরও পড়ুন: বাড়িতে সর্বোচ্চ কত টাকা নগদ রাখা যায়? কী বলছে আয়কর দফতরের নিয়ম

মেক্সিকান প্রেসিডেন্টের সুপারিশ, এই কমিশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়া ভ্যাটিকানের পোপ ফ্রান্সিস এবং রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস থাকবেন। ওব্রাডোরের সুপারিশ অনুযায়ী, এই কমিশনের লক্ষ্য হবে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য একটি প্রস্তাব পেশ করা। পাশাপাশি কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য একটি যুদ্ধবিরতির জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য কাজ করবে এই কমিশন।

আরও পড়ুন: জখম চিনা জওয়ানের প্রাণ বাঁচানো ভারতীয় মেডিকও শহিদ হয়েছিলেন গালওয়ান সংঘর্ষে!

যুদ্ধের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট চিন, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে শান্তির জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁর বার্তা, ‘আমি আশা করি যে তিনটি দেশের সামনে আমরা যে প্রস্তাব আনব তারা তা মেনে নেবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের কথা শুনবে তারা।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই দেশগুলির যুদ্ধের জেরে বিশ্বে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। তারা মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে এবং খাদ্যের ঘাটতি বাড়িয়েছে এবং আরও দারিদ্র্য বাড়িয়েছে। সবচেয়ে খারাপ, এক বছর যাবত এই সংঘর্ষের কারণে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।’

বন্ধ করুন