লকডাউন জারি হওয়ার পরে ফাঁকা দিল্লি জংশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে যাত্রীশূন্য জম্মু এক্সপ্রেস। ছবি: ব্লুমবার্গ। (Bloomberg)
লকডাউন জারি হওয়ার পরে ফাঁকা দিল্লি জংশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে যাত্রীশূন্য জম্মু এক্সপ্রেস। ছবি: ব্লুমবার্গ। (Bloomberg)

লকডাউনের পরে যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি, জানাল রেল

  • আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা ফের চালু হতে পারে বলে খবর রটে গেলে তা টুইটারে অস্বীকার করল রেল মন্ত্রক।

লকডাউনের পরে ফের স্বাভাবিক রেল পরিষেবা চালু হতে চলেছে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই সম্ভাবনার কথা সরাসরি অস্বীকার করে টুইটারে পোস্ট করল রেল মন্ত্রক। ।

শনিবার সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে চলতি লকডাউনের অবসান হলে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা ফের চালু করতে চলেছে রেল। সেই কারণে, রেলের সমস্ত কর্মী, গার্ড, টিটিই ও অন্যান্য আধিকারিকদের কাজে যোগ দেওয়ার জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে বলেও জানা যায়।

তবে সেই সঙ্গে এ-ও জানা যায়, সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পরেই স্বাভাবিক রেল ফের চালু হবে। পাশাপাশি, কোন কোন ট্রেন প্রথম দফায় চালু হবে এবং তাদের সময়-সারণী ও রেকের লভ্যতা সম্পর্কে বিষদে জানিয়ে রেলের সমস্ত বিভাগকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানা যায়।

যদিও রেলের শীর্ষ আধিকারিকরা জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রয়েছে এবং তা ফের চালু করা সম্পর্কে এখনও কোনও কেন্দ্রীয় নোটিশ জারি করা হয়নি।

এর পরেই টুইটারে নিজস্ব হ্যান্ডেলে রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ‘কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা পের চালু হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে এবং সেই সঙ্গে নতুন সময়-সারণী ইত্যাদির কথাও জানানো হয়েছে। সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো হচ্ছে যে, যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা চালু করার এমন কোনও পরিকল্পনা এখনও পর্যন্ত হয়নি। এই বিষয়ে পরবর্তী কোনও তথ্য থাকলে জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা হবে।’

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ রুখতে ২১ দিনের জন্য ১৩,৫২৩টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। তবে এই সময়ে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল চালুই রয়েছে।

বন্ধ করুন