বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লকডাউনে বাতিল ট্রেনের ভাড়া ফেরতের সময়সীমা বাড়িয়ে ৯ মাস করল রেল মন্ত্রক
২০২০ সালের ২১ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাতিল হয়ে যাওয়া ট্রেনের টিকিট জমা দিয়ে ভাড়া ফেরতের সময়সীমা ৬ মাস থেকে বাড়িয়ে ৯ মাস করল রেল মন্ত্রক।
২০২০ সালের ২১ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাতিল হয়ে যাওয়া ট্রেনের টিকিট জমা দিয়ে ভাড়া ফেরতের সময়সীমা ৬ মাস থেকে বাড়িয়ে ৯ মাস করল রেল মন্ত্রক।

লকডাউনে বাতিল ট্রেনের ভাড়া ফেরতের সময়সীমা বাড়িয়ে ৯ মাস করল রেল মন্ত্রক

  • ২০২০ সালের ২১ মার্চ থেকে ৭ জুনের মধ্যে কাউন্টার থেকে কেনা পিআরএস ট্রেন টিকিট বাতিল ও ভাড়া বাবদ অর্থ ফেরতের ক্ষেত্রে যাত্রার দিন থেকে ৬ মাসের পরিবর্তে ৯ মাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক।

কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কাউন্টার থেকে কেনা ২০২০ সালের  ২১ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাতিল হয়ে যাওয়া ট্রেনের টিকিট জমা দিয়ে ভাড়া ফেরতের সময়সীমা ৬ মাস থেকে বাড়িয়ে ৯ মাস করল রেল মন্ত্রক। এর আগে তিন দিন থেকে বাড়িয়ে টিকিট বাতিল করার সময়সীমা ৬ মাস করেছিল মন্ত্রক।

সম্প্রতি এক বিবৃতি প্রকাশ করে রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ‘২০২০ সালের ২১ মার্চ থেকে ৭ জুনের মধ্যে কাউন্টার থেকে কেনা পিআরএস ট্রেন টিকিট বাতিল ও ভাড়া বাবদ অর্থ ফেরতের ক্ষেত্রে যাত্রার দিন থেকে ৬ মাসের পরিবর্তে ৯ মাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র রেল টাইমটেবিলে উল্লিখিত ট্রেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘যাত্রার দিন থেকে ছয় মাস পেরিয়ে গেলে অনেক যাত্রী হয়ত আঞ্চলিক রেল দফতরের ক্লেইমস অফিসারের কাছে তাঁদের বাতিল হয়ে যাওয়া ট্রেনের টিকিট টিডিআর বা সাধারণ আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিয়েছিলেন। এই রকম যাত্রীদের ক্ষেত্রে তাঁদের বাতিল হয়ে যাওয়া পিআরএস কাউন্টার টিকিটের ভাড়া বাবদ অর্থ সম্পূর্ণ ফেরৎ দেওয়া হবে।’

২০২০ সালের মার্চ মাসের শেষে করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে দেশব্যাপী লকডাউন আরোপ করা হলে বাতিল হয়ে যাওয়া ট্রেনের টিকিট ফেরতের সময়সীমা তিন দিন থেকে বাড়িয়ে তিন মাস করা হয়। গত মে মাসে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়। 

রেল মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে, কাউন্টারে টিকিট ফেরৎ দিতে আসা যাত্রী সংখ্যা কোভিড সংক্রমণের জন্য নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশেই ধাপে ধাপে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বন্ধ করুন