বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > সরাসরি কর্মীদের ফোন, উত্তরপ্রদেশের পরীক্ষায় পাশ করতে ময়দানে খোদ মোদী-শাহ
নরেন্দ্র মোদী–অমিত শাহ (‌ফাইল ছবি)‌।
নরেন্দ্র মোদী–অমিত শাহ (‌ফাইল ছবি)‌।

সরাসরি কর্মীদের ফোন, উত্তরপ্রদেশের পরীক্ষায় পাশ করতে ময়দানে খোদ মোদী-শাহ

  • আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল স্তরের প্রায় ৪০ কর্মী এবং নেতাদের ফোন করতে চলেছেন মোদী-শাহ।

'পাণ্ডেজি, আমি অমিত শাহ বলছি। আপনি ও আপনার পরিবার কেমন আছেন?' গত জুন মাসের ১৩ তারিখের সকালে এভাবেই একটি ফোনে চমকে উঠেছিলেন বারাণসীর বিজেপি নেতা তথা দলের মুখপাত্র অশোক পাণ্ডে। সেদিন সরাসরি স্থানীয় নেতার থেকেই বারাণসীর কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চান অমিত শাহ। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলে সেই কথোপকথন। সূত্রের খবর, শুধু অশোক পাণ্ডে নন, উত্তরপ্রদেশের রাজ্য স্তরের বহু নেতা-কর্মীদের ফোন করছেন অমিত শাহ। শুধু অমিত শাহ নন, বিভিন্ন কর্মী-নেতা ফোন পেয়েছেন খোন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর থেকে।

সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন কর্মী এবং নেতাদের ফোন করতে চলেছেন মোদী-শাহ। প্রায় ৪০ নেতা-কর্মীর কাছে এই ফোন যাবে বলে 'লাইভ হিন্দুস্তান'-কে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি নেতা। এদিকে কর্মীদের ফোন করবেন যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিং, দলের সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসলও ফোন করবেন কর্মীদের।

এদিকে উত্তরপ্রদেশে বিরোধীরা জোটবদ্ধ নয়। এই আবহে বিজেপি স্বস্তিতে রয়েছে। তবে কোভিড সহ বিভিন্ন ইস্যুতে চাপে রয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচন মোদীকে মুখ করেই এগোতে চাইছে বিজেপি। মোদী ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন আমলা একে শর্মা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই উত্তরপ্রদেশ ইউনিটের সহ-সভাপতি পদে বসেন। এরপরই প্রশ্ন ওঠে, তবে যোগী রাজ্য দখলে রাখতে আর রাজ্য নেতৃত্বের উপর ভরসা করতে পারছেন না মোদী-শাহরা?

সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নিয়ে দলেরই একাংশ খুশি নয়। তার উপর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলাতে গিয়ে যেভাবে নাকানিচোবানি খেয়েছে যোগীর সরকার, তার আঁচ তাঁর ভামূর্তিতেও পড়েছে। রাজ্য বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, বাইশের ভোটে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাজ্য সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিংয়ের নেতৃত্বেই উত্তরপ্রদেশের মাটিতে লড়াইয়ে নামবে তারা। তবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল যোগীকে। তিনি মোদী-শাহের সঙ্গে পৃথক ভাবে বৈঠকে বসেন। যারপর ফিসফাস পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। এই আবহে কর্মীদের সঙ্গে মোদী-শাহ সরাসরি ফোনে কথা বলার বিষয়টি বেশ তাত্পর্যপূর্ণ।

বন্ধ করুন