বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > প্ল্যাকার্ড ছেঁড়া, বাঁশি বাজানো, কাগজ 'ছোঁড়া' - সংসদে তুমুল হট্টগোল বিরোধীদের
প্ল্যাকার্ড ছেঁড়া, বাঁশি বাজানো, কাগজ 'ছোঁড়া' - সংসদে হট্টগোল বিরোধীদের। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
প্ল্যাকার্ড ছেঁড়া, বাঁশি বাজানো, কাগজ 'ছোঁড়া' - সংসদে হট্টগোল বিরোধীদের। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

প্ল্যাকার্ড ছেঁড়া, বাঁশি বাজানো, কাগজ 'ছোঁড়া' - সংসদে তুমুল হট্টগোল বিরোধীদের

লোকসভার অধ্যক্ষের আসনের দিকে কাগজ ছোড়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

লোকসভায় ছেঁড়া হল প্ল্যাকার্ড। রাজ্যসভায় বাজানো হল বাঁশি। বুধবার বাদল অধিবেশনে এমনই বিরোধিতার সাক্ষী থাকল সংসদ। তারইমধ্যে দুই কক্ষে একটি করে বিল পাস করিয়ে নিল কেন্দ্রীয় সরকার।

পেগাসাস ‘হ্যাক’ এবং নয়া তিন কৃষি আইন নিয়ে বাদল অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই হই-হট্টগোল চলছে সংসদে। জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন বিরোধীরা। সরকারও নিজেদের অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে। বুধবারও সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। একাধিকবার লোকসভা এবং রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। তারপর অধিবেশন বসলেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। বরং লোকসভায় প্ল্যাকার্ড ছিঁড়ে দেন কংগ্রেসের কমপক্ষে ন'জন সংসদ। লোকসভার অধ্যক্ষের আসনের দিকে কাগজ ছোড়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। সেই ঘটনায় কংগ্রেসের গুরজিত সিং আউজলা, টিএম প্রথপন, মানিকাম ঠাকুর, রভনীত সিং বিট্টুর মতো সাংসদদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এক শীর্ষ আধিকারিক বলেছেন, ‘ওই লোকসভা সাংসদদেরও সাসপেন্ড করে দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’ গত সপ্তাহে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণের বিবৃতি 'ছিঁড়ে' দেওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ শান্তনু সেনকে সাসপেন্ড করা হয়।

বিরোধীদের হই-হট্টগোলের মধ্যে সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, যে কোনও বিতর্কের জন্য তৈরি আছে বিজেপি সরকার। পরে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘সরকার আলোচনার জন্য তৈরি। কিন্তু বিরোধীরা যদি মন্ত্রীর হাত থেকে বিবৃতি ছিনিয়ে নেন এবং ছিঁড়ে দেন, অধ্যক্ষের চেয়ার এনং মন্ত্রীর দিকে লক্ষ্য করে কাগজের টুকরো ছোড়েন, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয়।’ 

তারইমধ্যে অবশ্য রাজ্যসভায় জুভেনাইল জাস্টিস (শিশুদের দেখভাল এবং সুরক্ষা), ২০১৫ আইন নিয়ে একটি সংশোধনী বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। মাত্র ছয় মিনিটেই সংসদের নিম্নকক্ষে পাশ করিয়ে নেওয়া হয় অপর একটি বিল। এক বিরোধী নেতা দাবি করেন, শাসক দলের এক সদস্য তাঁকে বলেছেন যেহেতু স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার কোনও লক্ষণ নেই, তাই বাদল অধিবেশনের সংসদীয় কর্মসূচি পূরণে দিনে দুটি বিল পাশ করিয়ে নেবে সরকার।

বন্ধ করুন