বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > দরজা খুলল সীমান্তের, No-man's land'এ দুর্গামন্দিরে অঞ্জলি দিলেন সুস্মিতা দেব
অসমের করিমগঞ্জ সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে প্রাচীন দুর্গাপুজো (HT PHOTO.) (HT_PRINT)
অসমের করিমগঞ্জ সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে প্রাচীন দুর্গাপুজো (HT PHOTO.) (HT_PRINT)

দরজা খুলল সীমান্তের, No-man's land'এ দুর্গামন্দিরে অঞ্জলি দিলেন সুস্মিতা দেব

  • স্থানীয় বাসিন্দা অপু মালাকার বলেন, ২০০৮ সালে বিএসএফের চৌকি তৈরি হয়েছিল। সেই সময় একজন বিএসএফ জওয়ান অলৌকিক কিছু দেখেন।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন মন্দিরে দুর্গাপ্রতিমার সামনে অঞ্জলি দিলেন বাংলা থেকে তৃণমূলর রাজ্যসভার সদস্য় তথা অসমের তৃণমূলের নেত্রী সুস্মিতা দেব। অসমের করিমগঞ্জ জেলায় এই মন্দিরটি রয়েছে। প্রায় দেড়শ বছরের প্রাচীন এই পুজো। কংগ্রেস বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ সহ অন্য়ান্যরাও এই মন্দিরে পুজো দিয়েছেন। 

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, কাঁটাতারের বাঁধন থাকা সত্ত্বেও যেভাবে মা দুর্গা এখানে উৎসবের আনন্দ এনেছেন তাতে আমি অভিভূত। বিএসএফ জওয়ানরাও ভীষণভাবে সহযোগিতাপূর্ণ। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই পুজোতে সহযোগিতা করেন। আসলে ধর্মের প্রাথমিক সুরটাই হল ঐক্যবদ্ধতা। নানা বিশ্বাস ও বিভেদ থাকা সত্ত্বেও একটি মন্দিরই এতজনকে মিলিয়ে দিতে পেরেছে।

তিনি বলেন, এই মন্দিরে এসে এটা অনুভব করছি যে ঐক্য়বদ্ধ করার ক্ষেত্রে ধর্মের কতটা শক্তি। তবে কিছু রাজনৈতিক নেতা মানুষের ধর্মীয় পরিচয়টাকে সামন এনে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিছুক্ষেত্রে তারা সফলও হয়েছেন। তাদের তৈরি রীতিনীতির জেরে কিছুক্ষেত্রে এই বিভেদ মাথাচাড়া দিয়েছে। 

এদিকে বাসিন্দাদের দাবি, ব্রিটিশ আমলে এখানকার জমিদার ছিলেন নরেন্দ্র মালাকার। দেশভাগের সময় তাঁর বাড়ি ও মন্দিরের মাঝামাঝি সীমান্ত টানা হয়। ২০০৮ সালে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার সময় মন্দিরের অস্তিত্ব জানা যায়। এরপর থেকে শুরু হয় দুর্গাপুজো। পুজোর সময় বিএসএফ ভোট ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সীমান্তের গেট খোলা রাখে।

স্থানীয় বাসিন্দা অপু মালাকার বলেন, ২০০৮ সালে বিএসএফের চৌকি তৈরি হয়েছিল। সেই সময় একজন বিএসএফ জওয়ান অলৌকিক কিছু দেখেন। এরপর পদস্থ বিএসএফ কর্তারা প্রাচীন মন্দিরটিকে সংস্কার করে পুজো করার অনুমতি দেন। সেই থেকে শুরু দুর্গাপুজো। 

 

বন্ধ করুন