বাড়ি > ঘরে বাইরে > দিল্লির জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে উৎকীর্ণ হবে গালওয়ান শহিদদের নাম
জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে উৎকীর্ণ হবে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার ২০ জন শহিদের নাম।
জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে উৎকীর্ণ হবে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার ২০ জন শহিদের নাম।

দিল্লির জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে উৎকীর্ণ হবে গালওয়ান শহিদদের নাম

  • জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে উৎকীর্ণ হবে গালওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ২০ জন শহিদের নাম।

দিল্লির জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে উৎকীর্ণ হবে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২০ জন শহিদের নাম। বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

গালওয়ান উপত্যকায় পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪-তে কর্নেল বি সন্তোষ বাবুর নেতৃত্বে সংখ্যায় কয়েক গুণ বেশি চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সৈন্যদের বিরুদ্ধে আমরণ সংগ্রামে লিপ্ত হন ভারতীয় সেনাদলের ১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টের সদস্যরা। সংঘর্ষে কর্নেল সন্তোষ বাবু-সহ ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন, গুরুতর জখম হন আরও ৭৬ জন। তাঁদের সকলের নামই যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে লেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

সম্প্রতি লাদাখ সফরে গিয়ে ১৬ বিহার রেজিমেন্টের জীবিত সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে তাঁদের শহিদ সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। 

গালওয়ান উপত্যকার সেই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিলেন ১৬ বিহার রেজিমেন্ট ছাড়াও ৩ নম্বর পঞ্জাব রেজিমেন্ট, ৩ নম্বর মিডিয়াম রেজিমেন্ট এবং ৮১ ফিল্ড রেজিমেন্টের সদস্যরা। 

গালওয়ান উপত্যকার ১৪ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্টে চিনা সেনা অবৈধ নজরদারি ঘাঁটি তৈরি করেছিল। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন অঞ্চলে ওই ঘাঁটি সরানো নিয়েই ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে বচসা বাধে, যার জেরে গত ৫ দশকে বৃহত্তম মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে দুই পক্ষের মধ্যে।

ঘটনায় নিহত পিএলএ সদস্যদের সংখ্যা ও বিবরণ সম্পূর্ণ গোপন করে গিয়েছে চিন। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, সংঘর্ষে মারা গিয়েছেন বেশ কয়েক জন চিনা সেনাও।

বন্ধ করুন