বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'তালিবান ইস্যুতে প্রয়োজন বিশ্ব সমন্বয়', সহমত পোষণ মোদী-জনসনের
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক (ফাইল ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক (ফাইল ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

'তালিবান ইস্যুতে প্রয়োজন বিশ্ব সমন্বয়', সহমত পোষণ মোদী-জনসনের

  • বরিস জনসনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদী ভারত-যুক্তরাজ্য অ্যাজেন্ডা ২০৩০-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবার তালিবান বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছেন। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যকার সম্পর্কের রোডম্যাপ তৈরির বিষয়েও কথা বলেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

এই বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জানান হয়, দুই দেশের নেতারাই আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তাঁরা সেই দেশে মানবাধিকার রক্ষা করার গুরুত্বের উপর জোর দেন। তালিবানদের সাথে সম্পৃক্ততার জন্য একটি সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

এই বৈঠক নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে লেখেন, 'আমরা ভারত-যুক্তরাজ্য অ্যাজেন্ডা ২০৩০-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছি। গ্লাসগোতে আসন্ন সিওপি-২৬ এর পরিপ্রেক্ষিতে জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়ে মতবিনিময় করেছি এবং আফগানিস্তান সহ আঞ্চলিক ইস্যুতে আমাদের মতামত বিনিময় করেছি।'

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে আফগানিস্তানে আল কায়দা ও তালিবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সঙ্গে ছিল ন্যাটো। তালিবানকে আফগানিস্তান থেকে উচ্ছেদ করার পর কাবুলে গণতান্ত্রিক সরকার তৈরি হয়। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতে আফগানিস্তান থেকে সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন। সেই সময়সীমা যত এগিয়েছে, ততই একটু একটু করে আফগানিস্তানের দখল নিতে শুরু করে তালিবান। গত ১৫ অগস্ট কাবুল দখল করে নেয় আফগানিস্তান। তার পর থেকেই সেই দেশে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এদিকে গত দুই দশকে আফগানিস্তানের গণতান্ত্রিক সরকারের বড় বন্ধু হয়ে উঠেছিল ভারত। তালিবান এসে যাওয়াতে তাতে ছেদ পড়েছে। বন্ধ হয়েছে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য।

বন্ধ করুন