বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > National Herald Case: কংগ্রেসের ফান্ড ব্যবহার করে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক গান্ধীরা? প্রশ্ন ED-র মনে
ইডি অফিস থেকে বের হচ্ছেন রাহুল গান্ধী  (PTI)

National Herald Case: কংগ্রেসের ফান্ড ব্যবহার করে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক গান্ধীরা? প্রশ্ন ED-র মনে

  • National Herald Case: ইয়ং ইন্ডিয়ান্স প্রাইভেট লিমিটেড নামক সংস্থার মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েট জার্নাল কিনে নেন গান্ধীরা। সেই সংস্থার অধীনে প্রচুর স্থাবর সম্পত্তি ছিল, যেগুলিও গান্ধীদের হয়ে যায় এই চুক্তিতে। এই গোটা লেনদেনে অনিয়মের গন্ধ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

অ্যাসোসিয়েট জার্নাল লিমিটেড কিনতে কি কংগ্রেসের ফান্ডের অপব্যবহার করেছিলেন গান্ধীরা? এখন এই প্রশ্নেরই জবাব খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ন্যাশনাল হেরাল্ড অর্থ তছরুপের মামলায় গতকাল দুফায় দফায় প্রায় ৯ ঘণ্টা জেরা করা হয় রাহুল গান্ধীকে। এরপর আজও তাঁকে তলব করেছেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, কংগ্রেসের ফান্ডের সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করা হতে পারে রাহুল গান্ধীকে। উল্লেখ্য ইয়ং ইন্ডিয়ান্স প্রাইভেট লিমিটেড নামক সংস্থার মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েট জার্নাল কিনে নেন গান্ধীরা। সেই সংস্থার অধীনে প্রচুর স্থাবর সম্পত্তি ছিল, যেগুলিও গান্ধীদের হয়ে যায় এই চুক্তিতে। এই গোটা লেনদেনে অনিয়মের গন্ধ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তাই আজকেও রাহুলকে তলব করে পাঠিয়েছেন তদন্তকারীরা। সোনিয়া গান্ধীকেও এই একই মামলায় তলব করেছে ইডি।

প্রসঙ্গত, এর আগেও ন্যাশনাল হেরাল্ড দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। তবে সেই সময় তিনি বিদেশে থাকায় হাজিরা দিতে পারেননি। পরে নয়া সমন জারি করে ১৩ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয় রাহুল গান্ধীকে। প্রসঙ্গত, গত ১ জুন ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুল ও সোনিয়াকে তলব করেছিল ইডি। ৮ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ার। তবে তিনি কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় সেদিন হাজিরা দিতে পারেননি। পরে সোনিয়াকেও নয়া সমন জারি করা হয় ইডির তরফে। সেই সমন জারির একদিন পরই হাসপাতালে ভরতি হন সোনিয়া। 

উল্লেখ্য, ১৯৩৮ সালে জওহরলাল নেহরুর হাত ধরে পথ চলা শুরু ন্যাশনাল হেরাল্ড-এর৷ স্বাধীনতার পর কাগজটি মূলত কংগ্রেসের মুখপত্রে পরিণত হয়৷ পত্রিকাটির প্রকাশক অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড৷ এর মালিকানা ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড৷ ২০০৮ সালে আর্থিক ক্ষতির কারণে ন্যাশনাল হেরাল্ড-এর প্রকাশনা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সোনিয়া গান্ধি৷ এরপর ২০১১ সালে ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড নামক কোম্পানি গঠন করেন তিনি৷ যাঁর ৭৬ শতাংশ অংশীদারি কংগ্রেস সভানেত্রী এবং তাঁর পুত্র রাহুলের৷ এর সূত্র ধরেই ২০১৩ সালে অর্থ তছরুপের অভিযোগ আনেন বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণিয়াম স্বামী৷ পরে ২০১৫ সালে ইয়ং ইন্ডিয়া একটি অলাভজনক কোম্পানি হওয়ায় এর বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করে ইডি৷ বর্তমানে এই মামলায় আগাম জামিন নিয়ে মুক্ত আছেন রাহুল ও সোনিয়া।

বন্ধ করুন