বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সেনা, অস্ত্র মোতায়েন, রাশিয়াকে থামাতে আলোচনায় NATO ও US-র
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সেনা, অস্ত্র মোতায়েন, রাশিয়াকে থামাতে আলোচনায় NATO ও US-র (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সেনা, অস্ত্র মোতায়েন, রাশিয়াকে থামাতে আলোচনায় NATO ও US-র (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে রয়টার্স)

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সেনা, অস্ত্র মোতায়েন, রাশিয়াকে থামাতে আলোচনায় NATO ও US-র

  • ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া৷ তখনও ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন করেছিল৷

গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে প্রায় এক লাখ সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন করেছে রাশিয়া৷ এই অবস্থায় রাশিয়া আবারও ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে কিংবা ঢুকে যেতে পারে, এই আশঙ্কায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করছে৷

সোমবার জেনেভায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছে রাশিয়া৷ বুধবার ব্রাসেলসে ন্যাটোর সঙ্গে আলোচনা হবে৷ ২০১৯ সালের পর এই প্রথম ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা হতে যাচ্ছে৷ রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী আলেকজান্ডার গ্রাশকো ও উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেকজান্ডার ফোমিন আলোচনায় অংশ নেবেন৷ আলোচনার সময় ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দফতরে মার্কিন উপ-বিদেশমন্ত্রী ওয়েন্ডি শারমান উপস্থিত থাকবেন৷

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া৷ তখনও ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া সেনা ও অস্ত্র মোতায়েন করেছিল৷ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ যথেষ্ট প্রতিক্রিয়া না দেখানোয় রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করতে সমর্থ হয়েছিল বলে মনে করেন পেন্টাগনের সেই সময়কার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিম টাউনসেন্ড৷ বর্তমানে তিনি সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সোসাইটির সিনিয়র ফেলো হিসেবে কাজ করছেন৷ পেন্টাগনের পর টাউনসেন্ড ওবামা প্রশাসনের ডেপুটি অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন৷ সম্প্রতি তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ওবামা প্রশাসনের আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত ছিল৷

বুধবার ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনায় ন্যাটোর লক্ষ্য থাকবে ২০১৪ সালের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো৷ বিনিময়ে ন্যাটো তার কার্যক্রম আরও পুবে সরাবে না, এই নিশ্চয়তা চাইবে রাশিয়া৷ এছাড়া ন্যাটো ইউরোপ থেকে তাদের সেনা ও অস্ত্র সংখ্যা কমাবে এবং ইউক্রেন কখনও ন্যাটোর সদস্য হবে না, এই নিশ্চয়তাও চায় রাশিয়া৷ ইউক্রেন বর্তমানে ন্যাটোর পার্টনার দেশ হিসেবে আছে৷ যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো ইতিমধ্যে ন্যাটোর সদস্যপদের উপর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি কৌশলে প্রত্যাখ্যান করেছে৷

বুধবারের আলোচনা থেকে অনেক কিছু আশা করছেন না ন্যাটোর প্রধান ইয়েন্স স্টলটেনব্যার্গ৷ তিনি বলেছেন, বুধবারের বৈঠকে যদি ভবিষ্যতে আরও আলোচনা চালিয়ে যেতে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায় তাহলে সেটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া হবে৷ সোমবার হয়ে যাওয়া ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনাকে দুই পক্ষই গঠনমূলক বলেছে৷ কিন্তু কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি৷ ন্যাটোর সঙ্গে কথা বলার পর বৃহস্পতিবার অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যাণ্ড কোঅপারেশন ইন ইউরোপের সঙ্গে আলোচনা করবে রাশিয়া৷

(বিশেষ দ্রষ্টব্য : প্রতিবেদনটি ডয়চে ভেলে থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবেদনই তুলে ধরা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার কোনও প্রতিনিধি এই প্রতিবেদন লেখেননি।)

বন্ধ করুন